|
||||||||||||||||||||||||||||

এখন আপনারা চীনের ঐতিহ্যিবাহী বাদ্যযন্ত্র তুংসিয়াও দিয়ে বাজানো সংগীত শুনছেন। এ সংগীত লুশানের সিয়ানরেনতুংয়ে বসবাসকারী সন্নাসী লিসির বাজানো থাও ধর্মের সংগীত। উল্লেখ্য যে, লুশানের সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য কেবল বিভিন্ন রাজবংশের সাহিত্যিক ও কবিকে আকর্ষণ করেছে তা নয়, বরং বিভিন্ন ধর্মের সন্নাসী ও মাস্টারও এখানে এসে সম্মিলিত হয়েছেন। জানা গেছে, লুশানের চিনসিউ উপত্যকা দর্শনীয় স্থানের সিয়ানরেন গুহা তাও ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা লুই তুং বিনের স্থান ছিল। তাও ধর্মের সংগীত লুশান পাহাড়ের আরো বেশি রহস্যময় ভাব সৃষ্টি করেছে।
লুশানের ধর্মীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে লুশান পর্যটন ব্যুরোর মহাপরিচালক ফু চিয়ান জানান,

'লুশানে ধর্মীয় সংস্কৃতির গভীর ভাব রয়েছে। এ পাহাড়ে বৌদ্ধ, তাও, খৃষ্টান ও ইসলাম ধর্ম সবই রয়েছে। অন্য কোনো পাহাড়ে এমন অবস্থা দেখা যায় না।'
১৯ শতাব্দীর শেষ দিক থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত খৃষ্টান ধর্ম ও সে ধর্মের ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের মিশনারিরা লুশানে এসে গির্জা নির্মাণের পর থেকে এখানে তাদের ধর্ম প্রচার করেছেন। তখন থেকে লুশান বিদেশীদের মধ্যে সুপরিচিত হয়ে ওঠে। সে সময় বিভিন্ন দেশের লোকেরা লুশানে নানা শৈলির স্থাপত্য নির্মাণ করতে শুরু করেন। এখন এ স্থাপত্যগুলো লুশানের এক বিশেষ দৃশ্যে পরিণত হয়েছে। এটাকে বলা হয় 'হাজার রাষ্ট্রের স্থাপত্য জাদুঘর'।


| © China Radio International.CRI. All Rights Reserved. 16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040 |