|
||||||||||||||||||||||||||||

লুশানের আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক দৃশ্য আর ছাংচিয়াং নদী ও পোইয়াং হ্রদ এ দুটি জলপথে সুবিধাজনক পরিবহন ব্যবস্থা থাকার কারণে প্রাচীনকাল থেকে লুশান বহু কবি ও লেখক আসতে আকর্ষণ করে আসছে। গত এক হাজার বছরে প্রায় দেড় হাজার জন লেখক ও সাহিত্যিক লুশানে এসে ১৬ হাজারটিরও বেশি কবিতা ও পাথর ভাষ্কর্য সৃষ্টি করেছেন। এসব কবিতার কারণে লুশানের নাম আরো দূরে ছড়িয়ে পড়েছে।

বন্ধুরা, এখন আপনারা চীনের থাং রাজবংশের মহান কবি লি পাইয়ের লেখা কবিতা 'লুশানের জলপ্রপাদ দেখে' শিরোনামের কবিতাটির আবৃত্তি শুনছেন। এ কবিতাটিতে ছায়াপথের মতো লুশানের সিয়াংলু পর্বতের নেমে আসার দৃশ্য বর্ণনা করা হয়েছে। এটা গত এক হাজার বছরে সকল চীনার মুখে উচ্চারিত একটি বিখ্যাত কবিতা।

বলা যায়, চীনা জাতির মানসিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের সঙ্গে প্রাচীনকাল থেকে লুশান পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এটা একটি সত্যিকারের পবিত্র সাংস্কৃতিক পাহাড়। এ কারণে ১৯৯৬ সালে ইউনেস্কো লুশানকে 'বিশ্বের সাংস্কৃতিক দর্শনীয় স্থান' হিসেবে 'বিশ্ব উত্তরাধিকার তালিকায়' অন্তর্ভুক্ত করেছে।

সময় পার হয়েছে। কবিরা দূরে গেছেন। কিন্তু লুশানের দৃশ্য হাজার বছর আগের মতো মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এখন যদি আমরা লুশানের সিয়াংলু পর্বতের জলপ্রপাত ও সিলিন মন্দিরসহ নানা দর্শনীয় স্থানের সামনে দাঁড়িয়ে পূর্বপুরুষের কথা স্মরণ করি, তাহলে মনে হবে সময় এখানে থেমে গেছে।


| © China Radio International.CRI. All Rights Reserved. 16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040 |