

১৯৫০ সালের ৪ ডিসেম্বর ৫৭ বছর বয়সী আবিং রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি জীবনে যদিও মাত্র একবার আনুষ্ঠানিকভাবে মঞ্চে এরহু বাজিয়েছেন। এই অমর শিল্পী জীবনে বহু কষ্ট ভোগ করেছেন। কিন্তু তিনি তার সংগীত গুণ দিয়ে মানবজাতির জন্য অনেক অসাধারণ সুর সৃষ্টি করে গেছেন। তার সুরগুলোর মধ্যে শুধু বেদনার ভাব আছে তা নয়। এসব সুরে শোনা যায় জীবনের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও ভরসার বানীও।
প্রিয় শ্রোতা, অনুষ্ঠানের শেষে শুনুন 'ড্রাগন নৌকা' নামের একটি সুর। এ সুরে ড্রাগন নৌকা উত্সবে ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতার আনন্দময় দৃশ্য বর্ণিত হয়েছে। আবিং এই সুরে আনন্দচিত্ত উত্সবের দৃশ্য প্রতিফলনের জন্য পার্কাশন বাদ্যযন্ত্র এবং বায়ূ বাদ্যযন্ত্র পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করেছেন। তাহলে শুনুন 'ড্রাগণ নৌকা' নামের সুরটি।
বন্ধুরা, এতোক্ষণ আপনাদের সামনে চীনের বিখ্যাত সুরকার হুয়া ইয়ান জুন অর্থাত আবিংয়ের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানিয়েছি এবং তার সুকোমল সুরগুলো শুনিয়েছি। আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে? আশা করি, এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আপনারা চীনের লোকসংগীত সম্পর্কে কিছু নতুন ধারণা পাবেন। এ পর্বের 'সুরের ধারায়' আসর এ পর্যন্তই। এ অনুষ্ঠান শোনার জন্য ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকুন; কল্যাণে থাকুন। আবার কথা হবে। (ইয়ু/মান্না)

| ||||



