

0331yinyue.mp3
|
প্রিয় শ্রোতাবন্ধুরা, আপনারা চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলা অনুষ্ঠান শুনছেন। আমি – পেইচিং থেকে আপনাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এ পর্বের সুরের ধারায় আপনাদের শুনাবো চীনের বিখ্যাত বাশিঁ বাদক চাং ইয়োং মিংয়ের বাজানো কয়েকটি সুর।
বাঁশি বাদক চাং ইয়োং মিং
প্রথমে শুনুন 'সকাল' নামের সুরটি।
চাং ইয়োং মিং হচ্ছেন চীনের একজন বিখ্যাত বাঁশি বাদক এবং শিক্ষাবিদ। তিনি চীনের গীতিকার সমিতির সদস্য, চীনের জাতীয় সুষির যন্ত্র সমিতির সদস্য, শাংহাই সংগীত ইনস্টিটিউটের লোকসংগীত বিভাগের অধ্যাপক, সিঙ্গাপুরের নানইয়াং শিল্প একাডেমির অধ্যাপক এবং সিঙ্গাপুরের বাঁশি সমিতির সভাপতি। বর্তমানে তিনি সিঙ্গাপুরে বসবাস করছেন।
বন্ধুরা, এবার শুনুন তাঁর বাজানো আরেকটি সুর। এই সুরের নাম 'অতীত ও বর্তমান'।
চাং ইয়ো মিং ১৯৫৭ সালে চেংচিয়াং প্রদেশের হাংচৌ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। গত শতাব্দীর ৮০'র দশকে তিনি চীনের জাতীয় বাদ্যযন্ত্র প্রতিযোগিতার বাঁশি গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এরপর দশ বছরে তিনি দেশে ও বিদেশে নানা প্রতিযোগিতায় বার বার নানা পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি বিশটির অধিক দেশে গিয়ে বাঁশি বাজিয়ে শুনিয়েছেন। তাঁর বাজানো সুর শুনে শ্রোতারা 'অদ্ভূত বাঁশি' বলে মনে করেন।
এবার শুনুন তাঁর প্রতিনিধিত্ব কর্ম 'মা ও নদীর আনন্দের গান'।
১৯৯১ সালে চাং ইয়োং মিং চীনের মূলভূখণ্ডের প্রথম লোকসংগীত বাদক হিসেবে তাইওয়ান সফর করেন। তিনি তাইওয়ান প্রণালীর দু'পারের বাঁশি বাজানো ও শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর সুরকে 'তাইওয়ান প্রণালী পার হওয়ার প্রথম বাঁশির সুর' বলা হয়।
এবার শুনুন চাং ইয়োং মিংয়ের বাজানো 'পশ্চিম হ্রদের বসন্তের ভাব' নামের সুরটি।
১৯৮৮ সালে চাং ইয়োং মিং চীনের জাতীয় প্রথম শ্রেণীর বাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের জুলাই মাসে চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদ তাঁকে 'লক্ষণীয় অবদানরত যুবক বিশেষজ্ঞ' খেতাব দেয়। তখন থেকেই তিনি সরকারের বিশেষ ভর্তুকি পান। তাঁর জীবনী 'চীনের আধুনিক শিল্পীদের তালিকা', 'চীনের গীতিকার অভিধান' ও 'বিশ্ব আধুনিক বিখ্যাত ব্যক্তিদের তালিকায়' অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বন্ধুরা, এবার শুনুন চাং ইয়োং মিংয়ের বাজানো 'পশুপালকদের নতুন গান' নামের মনোরম সুরটি।
১৯৮৯ সালে উত্তর কোরিয়ার 'এপ্রিলের বসন্ত' নামে আন্তর্জাতিক শিল্প উত্সবের বাদ্যযন্ত্র প্রতিযোগিতায় চাং ইয়োং মিং স্বর্ণপদক অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি চীনের স্বর্ণ ডিস্ক পুরস্কার পান। ২০০৫ ও ২০০৬ সালে চাং ইয়োং 'টিং ইয়ু কাপ' বাঁশি আমন্ত্রণী প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের পুরস্কার পান। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে তিনি শাংহাই সংগীত ইনস্টিটিউটের হো রুই ডিং তহবিল পুরস্কার পান।
বন্ধুরা, অনুষ্ঠানের শেষে শুনুন 'স্বদেশের পূর্ণিমা' নামের শ্রুতিমধুর সুরটি।
বন্ধুরা, এতোক্ষণ আপনারা চীন আন্তর্জাতিক বেতারের সুরের ধারা আসরে চীনের বিখ্যাত বাঁশি বাদক চাং ইয়োং মিংয়ের বাজানো কয়েকটি বাঁশির সুর শুনলেন। এ পর্বের অনুষ্ঠান শোনার জন্য ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকুন। আবার কথা হবে। (ইয়ু/মান্না)

| ||||



