|
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকাসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় ও আর্থ-বাণিজ্যিক সহযোগিতা অব্যাহতভাবে বাড়ছে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য দ্রুত উন্নত হচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের আর্থ-বাণিজ্যিক বিনিময় আরো জোরদার এবং চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রাধান্য সম্পন্ন পারস্পরিক অনুপূরক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় পণ্য মেলা চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইয়ুন নান প্রদেশের সরকারের যৌথ উদ্যোগে চীনের ১৮তম খুনমিং আমদানি ও রপ্তানি পণ্য বিনিময় মেলার সঙ্গে দক্ষিণ চীনের ইয়ুন নান প্রদেশের খুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের পণ্য মেলা বাংলাদেশ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের গুরুত্ব পেয়েছে।
চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমদ , আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং গ্রামের উন্নয়ন ও সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক শহিদুল ইসলাম শহিদের নেতৃত্বাধীন ৪০জনেরও বেশি প্রতিনিধি এ দু'টি মেলায় যোগ দিয়েছেন। এবার মেলায় যোগ দেয়া দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা অংশ নিয়েছিল বেশি। বাংলাদেশের স্টলের সংখ্যা ৬০টি। আজকের চীনের অর্থনীতি অনুষ্ঠানে আমি তৃতীয় দক্ষিণ এশিয়ার পণ্য মেলায় বাংলাদেশের যোগ দেয়ার কথা ব্যাখ্যা করবো।
"চীনের খুনমিং আমদানি ও রপ্তানি পণ্য বিনিময় মেলা ও তৃতীয় দক্ষিণ এশিয়ার পণ্য মেলা শুরু"।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য, উপপ্রধানমন্ত্রী ওয়াং ছি শানের উদ্বোধনী ভাষণের পর তৃতীয় দক্ষিণ এশিয়ার পণ্য মেলা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। এবারে খুনমিং আমদানি ও রপ্তানি পণ্য মেলা থেকে দক্ষিণ এশিয়ার পণ্য মেলা চিরস্থায়ীভাবে খুনমিংয়ে চালু থাকবে। এর তাত্পর্য হচ্ছে ইয়ুন নান চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মধ্যে আর্থ-বাণিজ্যিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে খুনমিং আমদানি ও রপ্তানি পণ্য বিনিময় মেলায় অংশগ্রহণকারীর জন্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বিনিময় ও সহযোগিতার আরো বড় মঞ্চ তৈরি হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও বাংলাদেশ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্যিক চুক্তির কাঠামোয় ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা করছে। চীন ও বাংলাদেশের মৈত্রীর দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। চলতি বছর হচ্ছে দু'দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৩৫তম বার্ষিকী। চীন ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ অগ্রবর্তী অবস্থান হিসেবে ইয়ুন নান ও বাংলাদেশের আদান-প্রদান অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের সহযোগিতা অব্যাহতভাবে জোরদার করছে। মহাকাশযান শিল্প এবং সংস্কৃতি ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের সহযোগিতা অব্যাহতভাবে গভীর করছে।
![]() |
© China Radio International.CRI. All Rights Reserved. 16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040 |