|
বন্ধুরা, দ্বিতীয় পর্বে বানররাজ সুন উখোং'র গল্পের আরো কিছুটা শুনাবো আপনাদেরকে।
আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, গত সপ্তাহের অনুষ্ঠানে আমরা জেনেছিলাম যে, নিজের শক্তি প্রদর্শনের জন্য এক বৃদ্ধ বানরের কথায় জন্মগ্রহণের পর সু উ খোং একটি বিরাট জলপ্রপাত ভেদ করে ভেতরে চলে যায়...
তো জলপ্রপাত ভেদ করে পাথরের বানর চোখ খুলে তাকাল। বাঃ কি মনোরম দৃশ্য! তার সামনে চকচক করছে এক পাথরের সেতু। তার পাশে ছ'টি পাথরের গুহা। গুহার মুখে সোনার অক্ষরে লেখা: "পবিত্রস্থান-ফল-পুষ্প পর্বত, জলপর্দাবৃত গুহা।"
গুহার ভেতরে প্রবেশ করে পাথরের বানর দেখতে পেল সেখানে রয়েছে পাথরের খাট, টেবিল, বেঞ্চি আর উনুন। আর টেবিলের ওপর রয়েছে পাথরের অনেকগুলো থালা আর বাটি। দেখেই সে আনন্দে লাফিয়ে উঠে বলল, "বাঃ কি চমত্কার জায়গা! যেমন বড় তেমনি উজ্জ্বল। হাজার খানেক বানর এখানে থাকতে পারবে। ঠিক আছে, আমরা সবাই এখানে এসে আশ্রয় নেব। তাহলে আর ঝড়-বৃষ্টির ভয় থাকবে না।"
পাথরের বানর তক্ষুণি গুহা থেকে বেরিয়ে পানির পর্দা ভেদ করে সঙ্গীদের কাছে ফিরে গেল এবং গুহার ভেতরে সে যা দেখেছিল, সবই তাদেরকে বলল। তার কথা শুনে সবাই খুব খুশী। তাদের সবাইকে ভেতরে নিয়ে যাওয়ার সবাই অনুরোধ করলো সু উ খোংকে। পাথরের বানর বলল, "তোমরা আমার সংগে এসো!" বলেই সে লাফ দিল। বানরের দলও লাফ দিয়ে পানির পর্দা ভেদ করে গুহার মধ্যে গেল।
আচ্ছা! বন্ধুরা, আগামী আসরে আমরা সুন উখোং'র জন্মকথার পরবর্তী অংশ আপনাদেরকে শোনাবো। আমি আকাশ, পেইচিং থেকে আপনাদের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। চাই চিয়ান!
![]() |
© China Radio International.CRI. All Rights Reserved. 16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040 |