|
||||||||||||||||||||||||||||

ভারত বললেই সবি বুঝতে পারে যে তাজ মহলের দেশ, আকর্ষণীয় বলিউডের সংগীত ও নৃত্য এবং তার নয়ন জুড়ানো বৈচিত্র্যময় জাতীয় পোষাক—শাড়ী । সম্প্রতি চীনে ভারতের দূতাবাস ও চীনা জাতীয় সংবাদ কর্মী সমিতির যৌথ উদ্যোগে ভারতের আলোকচিত্র প্রদর্শনী পেইচিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতে চীনা সংবাদদাতার সাক্ষাত্কার নেয়া গুণীজন ও নানা ধরনের ছবির মধ্য দিয়ে ভারতের গভীর রীতি-নীতি তুলে ধরা হয়েছে। বন্ধুরা, আজকের 'সাংস্কৃতিক ঘটনা' অনুষ্ঠানে আমরা এ বিষয় নিয়েই আলোচনা করবো।
আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ভারতের প্রাকৃতিক দৃশ্য, সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার ও আধুনিক জীবনসহ বিভিন্ন বিষয় এসব ছবির মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে। চীনে ভারতের সাংস্কৃতিক কাউন্সিলার অরুণ কুমার সাহু'র কাছ থেকে জানা গেছে, চীনারা প্রাচীণ ও ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় সংস্কৃতির আগ্রহ প্রকাশ করেন। এবারের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে ভারতের নতুন দৃষ্টিভংগীও তুলে ধরা হয়েছে। দর্শকের জন্য সব নতুন নতুন অনুভব রয়েছে। তিনি মনে করেন, এ সব ছবির মাধ্যমে চীনারা ভারত সম্পর্কে আরও বেশি আধুনিক ও নতুন তথ্য জানতে সক্ষম। এ সম্পর্কে অরুণ চীনা ভাষায় কথা বলেন:
"ভারত হচ্ছে একটি ঐতিহাসিক জাতিসম্পন্ন দেশ। তবে অধিকাংশ চীনারা শুধু পুরানো ভারত সম্পর্কে জানেন। আধুনিক ও নতুন ভারত সম্পর্কে সবার তেমন একটা জানা নেই। আসলে নতুন ভারতের উন্নয়নের গতি খুবই দ্রুত। আশা করি, চীনারা বিশেষ করে চীনা তরুণ-তরুণীরা নতুন ভারতকে সুষ্ঠুভাবে উপলদ্ধি করবেন"।
এবারের প্রদর্শনীতে যে আলোকচিত্র প্রদর্শিত হয়েছে, সে সব চীনা সংবাদদাতারা তুলেছেন। তাঁরা ভারতে সাক্ষাত্কার নেন। ছবি তোলার মধ্য দিয়ে ভারতে নিজের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অনুভব প্রকাশ করেছেন।
চীনা জাতীয় সংবাদ কর্মী সমিতির কর্মকর্তা চু শৌ ছেন বলেন, চীন ও ভারতের মৈত্রী সুদীর্ঘকালের। অনেক বিদেশী সংবাদদাতা ভারতে সাক্ষাত্কার নেয়ার সময় ভারতীয় জনগণের সাথে গভীর মৈত্রী গড়েছেন। তিনি আশা করেন, এবারের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে দু'দেশের জনগণের পারস্পরিক সমঝোতা জোরদার এবং চীন ও ভারতের মৈত্রী ত্বরান্বিত হবে। এ সম্পর্কে তিনি বলেন:
"চীন ও ভারত উভয়েই বিশ্বে অত্যন্ত বিখ্যাত প্রাচীণ সভ্য দেশ। চীন ও ভারতের মধ্যে সুদীর্ঘকালীণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দু'দেশের উচ্চ পর্যায়ের পারস্পরিক সফর অব্যাহত রয়েছে। চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন চিয়া পাও সুষ্ঠুভাবে ভারত সফর করেন। একই সঙ্গে চীনের সংবাদ মহল ও ভারতের সংবাদ মহলের মধ্যেও খুবই চমত্কার বিনিময়ের সম্পর্ক রয়েছে। আমিও ২০০৭ সালে সৌভাগ্যক্রমে ভারত সফর করেছি। ভারতের অর্থনীতির দ্রুত উন্নয়ন ও প্রযুক্তির লক্ষণীয় অগ্রগতি সব আমার নিজের চোখে দেখা। আমি মনে করি, এক হিসেবে এবারের প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে ভারতের প্রাচীণ সংস্কৃতি তুলে ধরার সঙ্গে সঙ্গে আমরাও ভারতের নতুন চমত্কার ভাবমুর্তি দেখেছি"।


| © China Radio International.CRI. All Rights Reserved. 16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040 |