|
থাইল্যান্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন থাইল্যান্ডের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যায়রত চীনা ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৭৩০০ জনেরও বেশি। চীনা ছাত্রছাত্রী থাইল্যান্ডের আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রকল্পের বৃহত্ ছাত্র সম্পদে পরিণত হয়েছে।
তিন দিনব্যাপী থাইল্যান্ডের আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রদশর্নী সম্প্রতি ব্যাংককের রাণী সিরিকিট জাতীয় সম্মেলন কেন্দ্রে শেষ হয়েছে। শিক্ষা প্রদর্শনী চলাকালে থাইল্যান্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন থাইল্যান্ডের ৯৬টি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ১৬ হাজার বিদেশী ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করছে। এর মধ্যে চীনের ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা প্রায় ৪৫ শতাংশ। আসুম্পশন বিশ্ববিদ্যালয়, মহাচুলারোংকন রাজাভিদইয়ালায়া বিশ্ববিদ্যালয় আর মহিদোল বিশ্ববিদ্যালয় এ তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়রত বিদেশী ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। থাই ভাষা, শিল্প ও বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা আর ইংরেজী এ তিনটি বিভাগের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
জানা গেছে, থাইল্যান্ডে ১১৭টি আন্তর্জাতিক স্কুল আছে। এ সব স্কুলে কিন্ডারগার্টেন থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি হয়। ১৮৭টি স্কুলে ইংরেজী কোর্স চালু রয়েছে। আরো ১১টি পেশাগত স্কুলে বিদেশী ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি হয়। এখন ১২০টিরও বেশি দেশের ছাত্রছাত্রী থাইল্যান্ডে লেখাপড়া করছে। এর মোট লোকসংখ্যা ৩০ হাজারেরও বেশি।
থাইল্যান্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয় মনে করে, থাইল্যান্ড এশিয়ার কেন্দ্রস্থল অবস্থিত, এর আধুনিক স্থাপনা আছে, উপযুক্ত জীবনযাপনের খরচের মান এবং সামাজিক ও প্রাকৃতিক অনুকূল পরিবেশ আছে বলেই থাইল্যান্ডের 'এশিয়ার আন্তর্জাতিক শিক্ষা কেন্দ্র' হওয়ার যোগ্যতা আছে। যদি প্রতিটি বিদেশী ছাত্র থাইল্যান্ডে এক বছরের ব্যয় ৬ লাখ থাই বাথ অর্থাত্ প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ইউয়ান খরচ হয়, তাহলে প্রতি বছর বিদেশী ছাত্রছাত্রী থাইল্যান্ডকে ১৮৫০ কোটি থাই বাথ আয় এনে দেয়। (ইয়ু কুয়াং ইউয়ে)
![]() |
© China Radio International.CRI. All Rights Reserved. 16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040 |