
পেইচিং অলিম্পিক গেমসের পর , চীনের জনগন আরও উন্মুক্ত হয়েছে। তাদের দৃষ্টি দিগন্ত আরও প্রসারিত হয়েছে। পেইচিং অলিম্পিক গেমসের ফলে সারা বিশ্বের সঙ্গে চীনের যোগাযোগ আগের চেয়ে আরও সম্পূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পেইচিং অলিম্পিক গেমসের পর ক্রীড়া ক্ষেত্রে চীন সরকারের বরাদ্দ বেড়েছে। ক্রীড়া ব্যবস্থা আরও সম্পূর্ণ হয়েছে এবং শরীর চর্চার ব্যবস্থা আরও উন্নত ও সম্পূর্ণ হয়েছে।
ক্রীড়া চর্চা যাতে জনগনের দৈনন্দিন শরীর চর্চায় পরিণত হয় সে জন্য চীন সরকার যথাসাধ্য পদক্ষেপ নিয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের অনুমোদনে ২০০৯ সাল থেকে প্রতি বছর ৮ আগস্টকে চীনের " জাতীয় শরীর চর্চা দিবস" বলে নির্ধারন করা হয়েছে। এই দিবস যেমন পেইচিং অলিম্পিক গেমসের স্মারক দিন তেমনি চীনের গণ শরীর চর্চা জনপ্রিয় করার দিন।চীনের রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া অধি দফতরের মহা পরিচালক লিও প্যাং " জাতীয় শরীর চর্চা দিবস" প্রসঙ্গে এভাবে বর্ননা করেছেন, তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতি বছর ৮ আগস্ট সবাই নিজেদের আবাস বা কর্মস্থলে আনন্দের সঙ্গে নানা ধরনের শরীর চর্চা তত্পরতায় অংশ নিতে পারেন।
চীনের সার্বিক অর্থনৈতিক শক্তি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চীনের গণ শরীর চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রয়েছে। এখন চীনের জনগণ ধীরে ধীরে বুঝতে পেয়েছেন যে, দেশবাসী শরীর স্বাস্থ দেশের সম্মৃদ্ধির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত থাকে।
৮ আগস্ট ৪০ হাজার লোক পেইচিংয়ে তাইচি চর্চা করবেন। সাংহাইয়ে ১৫ হাজার লোক ১০ কিলোমিটার দৌড় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
যদি পেইচিং অলিম্পিক গেমসকে একটি মন্চ হিসেবে বলা হয় তাহলে ক্রীড়া ক্ষেত্রে ২০০৮ সাল ছিল চীনের সাফল্য অর্জনের বছর। ২০০৯ সালে ক্রীড়া ক্ষেত্রে চীন আরও সাফল্য অর্জন করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
1 2 3 4 5 6 7 8 |