
অর্থনীতিঃ পর্যটনশিল্প, জাহাজ-পরিবহনশিল্প আর মত্স্যশিল্প মালদ্বীপ অর্থনীতির তিনটি প্রধান অংশ। মালদ্বীপে প্রচুর সমুদ্রিক সম্পদ আছে, যেমন বিভিন্ন রকমের গ্রীষ্মমন্ডলীয় মাছ, সামুদ্রিক কচ্ছপ, প্রবাল শেল ইত্যাদি। গোটাদেশের চাষের জমি মোট ৬৯০০ হেকটোর, জমি অনুর্বর, কৃষি অনুন্নত। সারা দেশে প্রায় ১০ লক্ষ নারিকেল গাছ আছে, নারিকেল উত্পাদন কৃষিকাজে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে।অন্যান্য শস্য হলো বজরা, ভূট্টা, কলা আর কাস্সাভা। পর্যটনশিল্প সম্প্রসারিত হওয়ার ফলে শাক-সব্জী ও পশু পালন বেড়েছে। মত্স্যশিল্প দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মালদ্বীপের প্রচুর মাছ আছে, টুনা মাছ, বনীটো মাছ, শার্ক মাছ, লবস্টার , স্লাগ, গ্রুপার, সামুদ্রিক কচ্ছপ ইত্যাদি। সাম্প্রতিক বছরে পর্যটনশিল্পের দ্রুত অগ্রগতি অর্জিত হয়, তা মত্স্যশিল্প ছাড়িয়ে মালদ্বীপের অর্থনীতির প্রধান অংশ হয়েছে।
চীনের সংগে সম্পর্কঃ ১৯৭২ সালে ১৪ই অক্টোবর চীনের সংগে মালদ্বীপের কূনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। 1 2 3 4 5 6 7
|