v চীন আন্তর্জাতিক বেতারv বাংলা বিভাগv চীনের বিশ্ব কোষ
China Radio International
পর্যটনসংস্কৃতিবিজ্ঞানখেলাধুলাকৃষিসমাজঅর্থ-বাণিজ্যশিক্ষার আলো
চীনা সংবাদ
বিশ্ব সংবাদ
চীনের কণ্ঠ
সংবাদ ব্যক্তিত্ব
সংবাদের প্রেক্ষাপট
নানা দেশ
কুইজ
আবহাওয়া

মহা মিলন ২০০৮ পেইচিং অলিম্পিক গেমস

ভয়াবহ ভূমিকম্প দক্ষিণ-পশ্চিম চীনে আঘাত হেনেছে

লাসায় ১৪ মার্চ যা ঘটেছিল

ইয়ুন নান প্রদেশ

দক্ষিণ এশিয়া

তৃতীয় নয়ন
আরো>>
(GMT+08:00) 2008-06-05 19:12:40    
সামুদ্রিক দৃশ্য স্বপ্নের ছবির মতো সুন্দর

cri

    সান নিয়াং উপ-সাগরের অন্য একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা পাথর। পাথরগুলোর আকৃতি কিছুটা উড়ন্ত বাজপাখির মতো, কিছুটা বয়ে চলা সমুদ্ররেখার মতো এবং কিছুটা পানি থেকে মাথা তোলা কুমিরের মতো।

    সান নিয়াং উপ-সাগরের নাম নিয়ে স্থানীয় এলাকায় একটি সুন্দর জনশ্রুতি আছে। প্রাচীনকালে ৩জন পুরুষ সমুদ্রে মাছ-ধরতে গিয়েছিলেন। তারা আর ফিরে আসতে পারেননি। তাদের স্ত্রীরা প্রতি দিন সমুদ্রের তীরে স্বামীদের পথ চেয়ে থাকতেন। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে করতে অবশেষে তারা তিনটি পাথরে রুপান্তরিত হয়ে যান। সেই তিন নারীর ভালোবাসার স্মরণে জেলেরা এ গ্রামকে সান নিয়াং উপ-সাগর এবং তিনটি পাথরকে সান নিয়াং পাথর নাম দেয়।

    সান নিয়াং উপ-সাগরের দৃশ্য খুব সুন্দর। স্থানীয় জেলের লেখা লোক সঙ্গীত 'সান নিয়াংয়ের সন্ধ্যার দৃশ্য' থেকে তা অনুভব করা যায়।

    চিং জাতি অধ্যূষিত এলাকা ও সান নিয়াং উপ-সাগরে ঘুরে ঘুরে, স্থানীয় রীতিনীতি আর সাদা ডলফিনের ঘোর কাটতে না কাটতেই আমরা অব্যাহতভাবে পূর্ব দিকে চলতে চলতে পেই হাই শহরে এসে পৌঁছায়।

    পেইহাই শহরের তিন দিক ঘিরে রয়েছে সমুদ্র। বাদামি লাল ভূমি, নীল সমুদ্র, রুপালী সাদা বালি এবং সবুজ পাম গাছ সব মিলিয়ে খুব সুন্দর ও বর্নীল এক ছবি। আদর্শ প্রাকৃতিক পরিবেশ সমৃদ্ধ এই গ্রীষ্মমন্ডলীয় সৈকত শহর দেখতে ছবির মতোই সুন্দর। এছাড়া এটা মানুষের বসবাস করার জন্য খুব আদর্শ শহর। গ্রীষ্মকাল এখানে গরম না, শীতকালও ঠাণ্ডা না। একেবারে নাতিশীতোষ্ণ বলতে যা বোঝায়। এছাড়াও দারুন আবহাওয়া, তরতাজা বাতাস এবং সুপেয় পানিতো আছেই। এখানকার আবহাওয়া ও পানির মান দেশের সবচেয়ে ভালো পর্যায়ের। প্রতি ঘনসেন্টিমিটার বাতাসে ঋনাত্মক অক্সিজেন আয়নের পরিমাণ আড়াই হাজার থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত। আন্তর্দেশীয় যে কোনো শহরের তুলনায় যা ৫০ থেকে ১শ' গুণ বেশি। ফলে পেইহাই শহরকে চীনের সবচেয়ে বড় 'নাগরিক অক্সিজেন বার' বা বৃহত্তম বিশুদ্ধ বায়ুর শহর বলা হয়।

    খালি পায়ে দশ-বারো কিলোমিটার দীর্ঘ পেইহাই রুপালী বালুকাবেলা ধরে হাঁটলে এই প্রশস্ত ও সমতল বালুতট, সরু ও নরম বালু, বিশাল সমুদ্র আপনাকে নতুন অনুভূতি দেবে। সুন্দর রুপালী এই বালুতটের কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই বালুতট লম্বা ও সমতল, বালু সরু ও সাদা, পানি উষ্ণ ও পরিস্কার এবং ঢেউ খুব মৃদু। নীল সমুদ্র, সাদা ফেনা এবং চিকচিকে বালুতে যে কেউই 'প্রাচ্যের হাওয়াই'এর অপরিসীম আকর্ষণশক্তি অনুভব করতে পারবে। আমেরিকার পর্যটক জনি লুপ প্রশংসা করে বলেন,

    পেইহাই খুব সুন্দর। আমার বন্ধু আমাকে বলেছেন, তোমাকে পেই হাই-এ যেতে হবে। খুব সুন্দর জায়গা।


1 2 3 4