নয়া দিল্লীতে অলিম্পিক মশাল হস্তান্তরে অংশগ্রহণকারী ভারতের ক্রীড়াবিদ আজমির সিং বলেন, তিনি এবারের হস্তান্তরে অংশ নেয়ার জন্য গর্ব অনুভব করেন। তিনি আরো বলেন,
(রে ৩)
'আমি পেইচিং অলিম্পিক গেমসের মশাল হস্তান্তরে অংশ নিতে পেরে গর্ব অনুভব করি। ভারতও গর্ব অনুভব করে, নয়া দিল্লীও আনন্দিত। এবারের মশাল হস্তান্তর অনুষ্ঠান সত্যিই গৌরবময়, আড়স্বরপূর্ণ ও মহান।'
পুলিশ ছাড়া আরো বেশি উত্সাহী সেচ্ছাসেবক শৃংখলা সুরক্ষা করেছেন। মশাল হস্তান্তরের প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পর্কে স্বেচ্ছাসেবকরা বলেন, অনেক প্রস্তুতি কাজ তাঁরা করেছেন। এসব কাজ কঠিন নয়, তবুও তা তাদের করা উচিত বলে মনে করেন। একটি মেয়ে সাংবাদিকদের কাছে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করার কারণ সম্পর্কে বলেন,
(রে ৪)
'আমি অলিম্পিক মশাল হস্তান্তরের অনুষ্ঠানকে পছন্দ ও সমর্থন করি। মশালটি আমাদের কাছে আসার সময় আমি আপনাদের জানাবো আমি খুব খুশি হবো।'

চীনের জিইটি কোম্পানির ভারত শাখা কোম্পানির প্রতিনিধি কান ইয়ং ভারতে চার বছর ধরে আছেন। তিনি বলেন, বিদেশে চীনের শিল্প-প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বরাবরই পেইচিং অলিম্পিক গেমসের ওপর সজাগ দৃষ্টি রেখে চলেছেন। লন্ডন ও প্যারিসে পেইচিং অলিম্পিক গেমসের মশাল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যায্য আচরণের সম্মুখীন হওয়ার পর তিনি ও তাঁর কর্মচারীরা মশালটি ভারতে হস্তান্তরের সময় হস্তান্তরস্থানে সমর্থন ও শুভেচ্ছা জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সম্পর্ক তিনি বলেন,
(রে ৫)
'নয়া দিল্লীতে পেইচিং অলিম্পিক গেমসের মশাল হস্তান্তর অনুষ্ঠান ছিল আমাদের চেয়েও সফল। নিরাপত্তা সুরক্ষার ব্যবস্থার কারণে পরিদর্শকের সংখ্যা আমাদের ধারণার চেয়ে কিছুটা কম হয়েছে। কিন্তু ভারতের সরকারী কর্মকর্তারাসহ বিভিন্ন মহলের বন্ধুরা উত্সাহসহকারে অলিম্পকের মশালকে স্বাগত জানিয়েছেন। নিরাপত্তা সুরক্ষার ব্যবস্থা ভারতের জাতীয় দিবসের সামরিক ব্যবস্থার মতই কড়াকড়ি ছিল।'

সামপ্তি অনুষ্ঠানে পেইচিং অলিম্পিক গেমসের সাংগঠনিক কমিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান চিয়াং সিয়াওইউ বলেন, তাঁর কাছে নয়া দিল্লীর সুন্দর দৃশ্য, মশাল হস্তান্তর অনুষ্ঠান সাংগঠনের উত্কৃষ্ট সামর্থ্য ও অতিথেয়তার কারণে জনগণের হৃদয়ে খুবই গভীর ও সুন্দর চিত্র চিহ্ন অংকিত হয়েছে। তিনি ভারতের জনগণকে পেইচিংয়ে অলিম্পিক গেমস পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
ছাই ইউয়ে 1 2 3 4
|