তাহলে এ জাতীয় পর্যায়ের ইদুর লালন-পালন কেন্দ্র কী ধরণের ? আমাদের সংবাদদাতা সৌভাগ্যক্রমেই সেখানকার অবস্থা দেখেছেন এবং জানতে পেরেছেন যে, এখানকার অবস্থা তারকাসম্পন্ন হোটেলের চেয়েও ভাল। বাইরে প্রচুর শীত থাকলেও এখানকার পরীক্ষাগারে প্রায় ১৯ থেকে ২১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রয় থাকে। পরিবেশ নাতিশীতোষ্ণ। এমন কি, পরিবেশের পরিচ্ছন্ন মান হাসপাতালের ঠিক অপরেশন রুমের মতোই ।
ইদুরের খাবারও বিশেষ সংস্থা সরবরাহ করে। এ সব খাবার ইদুর খাওয়ার আগে অতিবেগুনী আলোকরশ্মির মাধ্যমে জীবানুমুক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, ইদুর বিশুদ্ধ পানি খায় , এমন কি, পানি বোতলকেও জীবানুমুক্ত করা হয়।
একই সঙ্গে এ কেন্দ্রের কর্মীরা ইদুরকে খাওয়ানের আগে নিজেদের অতিবেগুনী আলোকরশ্মির মাধ্যমে জীবানুমুক্ত করে থাকেন। এ কেন্দ্রের গবেষক চাং ইয়ে বিন মজা করে বলেন, এখানে নতুন এসে কর্মীদের প্রথম কাজ হচ্ছে " গোসল করতে শেখা "। তিনি বলেন:" চুল দু'বার ,পা এবং হাতসহ সারা গা সবান দিয়ে বারবার ধূয়ে নিতে হয়"
গোসল করার পর, লালন-পালন কর্মীরা বিষাক্ত নয় এমন বিশেষ ধরণের কাপড় ও জুতা পড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে লালন-পালন ঘরে প্রবেশ করতে পারেন। ঘরে যাওয়ার পর তারা শৌচাগারেও যেতে পারবেন না।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষেত্রে ইদুরের বিশেষ অবদান রয়েছে। মানুষ নানাভাবে তাকে স্মরণ করেন। চীনের অনেক পরীক্ষাগারে ইদুরের স্মৃতি সৌধ ব্যাপকভাবে দেখা যায়। এর ওপরে লেখা হয়েছে " নিহত পরীক্ষাগ্রহণকারী প্রাণীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন "। --ওয়াং হাইমান 1 2
|