
১৯৮৪ সালে রাজিব গান্ধীর মাকে হত্যা করা হয়। রাজিব মায়ের উত্তরাধিকারী হিসেবে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৯১ সালের মে মাসে রাজিব গান্ধী দক্ষিণ ভারতে একটি নির্বাচনী জনসভায় নিতে হন। শাশুড়ি ও স্বামী নিহত হওয়ার পর সোনিয়া কিছু ভিক্ষাদান অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া ছাড়া, খুব কমই অন্য অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
রাজিব গান্ধী নিহত হওয়ার পর ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির বহু পরিবর্তন ঘটে, জাতীয় কংগ্রেস ক্ষমতা হারায়। জাতীয় কংগ্রেস আবার শক্তিশালী করার জন্যে কিছু গুরুত্বপূর্ন সদস্য সোনিয়াকে রাজনীতিতে আসার অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি অস্বীকার করেন। ১৯৯৭ সালে সোনিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেন এবং সক্রিয়ভাবে এ পার্টির নির্বাচনী কার্যক্রম চালান। ১৯৯৮ সালের মার্চ মাসে তাঁকে জাতীয় কংগ্রেম সংসদ নেতা নির্বাচন করে। এপ্রিল মাসে তিনি জাতীয় কংগ্রেসের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।
সোনিয়ার বিদেশী বংশোদ্ভুত হওয়ায় ১৯৯৯ সালের মে মাসে জাতীয় কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য এক চিঠিতে তাঁর সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিরোধীতা করেন। তারপর সোনিয়া পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু জাতীয় কংগ্রেসের কার্যনির্বাথী কমিটি পদত্যাগপত্র গ্রহণে অস্বীকার করে। সোনিয়া চেয়ারম্যান পদেই থেকে যান।
1 2 3
|