

0408
|
স্থানীয় সময় ৩১ মার্চ ভোর সাড়ে ৫টায় এবং পেইচিং সময় ৩১ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় ৪৪৯ জন চীনা নাগরিক ও ৬ জন বিদেশিসহ চীনা নৌবাহিনীর ওয়ে ফাং ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ফ্রিগেট লোহিত সাগর অতিক্রম করে জিবুতির জিবুতি বন্দরে পৌঁছায়। এর আগে ৩০ মার্চ ১২২ জন চীনা নাগরিক জিবুতি বন্দরে পৌঁছান। এ চীনা নাগরিকরা পরে ইথিওপিয়া হয়ে স্বদেশে আসেন। সি আর আই'র বিশেষ সাংবাদদাতা ওয়াং সিন চুন জিবুতি থেকে বিশেষ একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। এখন
আমরা সেটি তুলে ধরছি।
জিবুতি চীনা বণিক সমিতির প্রধান তিং চাও চুন বলেন, জিবুতিতে চীনা দূতাবাসের সঙ্গে সহযোগিতা করে ইয়েমেন-ফেরত চীনাদের প্রয়োজনীয় সেবা দিয়েছে বণিক সমিতি। তিনি বলেন, "জিবুতিতে রয়েছে ১৫টি চীনা কোম্পানি এবং তারা সব বণিক সমিতির সদস্য। আমরা নিজেদেরকে কয়েকটি গ্রুপে ভাগ করি। একটি গ্রুপ শাটল গাড়ির বন্দোবস্ত করে। দ্বিতীয় দল ইয়েমেন-ফেরত চীনা নাগরিকদের অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে। আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জিবুতি সরকার চীনের সাহায্যে নির্মিত একটি স্টেডিয়ামকে তাদের অস্থায়ী আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেয়। অন্যদিকে, জিবুতিতে কর্মরত চীনা চিকিত্সা-সহায়তাদল ইয়েমেন-ফেরত চীনা নাগরিকদের চিকিত্সার দায়িত্ব গ্রহণ করে। আর একটি দল নেয় তাদের খাদ্য ও পানীয়ের চাহিদা মেটানোর দায়িত্ব।"
তিং চাও চুন বলেন, জিবুতিতে চীনা কোম্পানিগুলো চীনা নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তিনি বলেন, "২০ জনের একটি স্বেচ্ছাসেবক দলও আছে আমাদের। প্রতিটি চীনা কোম্পানি থেকে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এ দলে কাজ করছেন। আমাদের কোম্পানিগুলো প্রয়োজনীয় অর্থ ও জনশক্তির যোগান দিচ্ছে। আমি খুব খুশি যে, সবাই এ কাজ সমর্থন করছেন।"
আগেই বলেছি, প্রথম দফায় ইয়েমেন থেকে ফেরত ১২২ জন চীনা নাগরিক লিন ই ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ফ্রিগেটযোগে জিবুতি পৌঁছায়। এ দলটি স্থানীয় সময় ৩০ মার্চ রাতে জিবুতি ছেড়ে ইথিওপিয়া হয়ে চীনে ফিরে যায়। দ্বিতীয় দফায় চার শতাধিক স্বদেশী জিবুতি পৌঁছানোয় চীনা দূতাবাস ও বণিক সমিতির কাজও বেড়ে যায়। তিং চাও চুন বলেন, "আমাদের কাজটা কঠিন। কারণ, জিবুতি খুব ছোট একটি দেশ। এখানে সম্পদ কম। আগের দিন আমরা শতাধিক চীনা নাগরিককে সেবা দিয়েছি। আর পরের দিনই আসে চার শতাধিক।"




