

ক্যামেরুনের বার্তা সংস্থার সাংবাদিক অ্যাসেন গোডফ্রেড জানান, চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপারে তিনি সবচেয়ে আগ্রহী। তিনি বলেন:
"দুই অধিবেশন চলাকালে রাজনীতি, কূটনীতি ও অর্থনীতি-সম্পর্কিত ইস্যুগুলোর প্রতি অবশ্যই আমাদের মনোযোগ রয়েছে। তবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট ইস্যু, নীতিগুলো আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় চীনের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে অথনীতির উন্নয়ন সাধন করতে হয় অন্য দেশগুলোর নেতা, বিশেষ করে আমার দেশের নেতাদের তা শেখা উচিত।"
দক্ষিণ কোরিয়ার 'এশিয়া বিজনেস' পত্রিকার চীনা প্রতিনিধি ছো ইয়োং-সুং বলেন:
"আমরা দক্ষিণ কোরিয়া চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের বৈশ্যিষ্টের ওপর নিবিড় মনোযোগ দেই। বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতির ওপর চীনের অর্থনৈতিক অবস্থার সরাসরি প্রভাব পড়ে।"
ব্রিটেনের 'ডাউ জোনস নিউজওয়্যারস'-এর সংবাদদাতা রিচার্ডি সিল্ক বলেন:
"আমার মনোযোগের বিষয় নতুন মেয়াদের নেতৃত্ব। কারণ নতুন নেতৃত্ব নতুন নীতিমালা প্রকাশ করবে এবং বর্তমান নীতিগুলো সমন্বয় করবে। চীনের তহবিল ও রিয়্যাল এস্টেট-সংশ্লিষ্ট নীতিগুলোর ওপরও আমার ঘনিষ্ঠ মনোযোগ রয়েছে।"
এতক্ষণ যে সাংবাদিকদের কথা শুনলাম আমরা, তারা সবাই চীনের অর্থনীতির ওপর গুরুত্ব দেন। তবে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স অন্য দিকে, যেমন নগরায়ন, দুর্নীতি দমন এবং পরিবেশ রক্ষাসহ বিভিন্ন ইস্যুর প্রতি দৃষ্টি রেখেছে।
রয়টার্স সংবাদদাতা জন সিঙ্কলায়ার ফোলি বলেন:
"আমরা জানতে চাই যে নগরায়ন, দুর্নীতি দমন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ - এ তিনটি ক্ষেত্রে চীন কী কী করে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরো পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করে।
স্পেনের একজন সংবাদদাতা বলেন:
"আমি তো চীন সরকারকে প্রশংসা করতে চাই। কারণ সরকারি কার্যবিবরণীতে চীনের নিজের সমস্যা বর্ণনা করা হয়েছে, যেমন দুর্নীতি সমস্যা, পরিবেশ সমস্যা ইত্যাদি। সমস্যার ব্যাপারে সচেতন হওয়া সরকারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।"
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াসহ অন্য দেশগুলোর সংবাদদাতারা তাঁদের মন্তব্য পোস্ট করেছেন এবং দু'টি অধিবেশনের জন্য শুভ কামনা করেছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদদাতা ছো ইয়োং-সুং বলেন:
"আমি আশা করি, চীনের অর্থনীতির ভাল উন্নতি হবে, জাতীয় শক্তি নতুন পর্যায় পৌছবে, চীনা স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।"




