
নয়া চীনের ৬০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজ ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছে। চীনের গণ মুক্তি ফৌজের ১৪টি পদব্রজ দল, ৩০টি স্থল সাজসরঞ্জাম দল ও ১২টি বিমান বাহিনীর দল থিয়েন-আন-মন চত্বর অতিক্রম করার সময় হু চিন থাওসহ দেশের নেতৃবৃন্দ ও সারা দেশের জনগণের পরিদর্শন গ্রহণ করে।

চীনের প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান হু চিন থাও কুচকাওয়াজ পরিদর্শনের গাড়িতে দাঁড়িয়ে কুচকাওয়াজের সাধারণ পরিচালক, পেইচিং সামরিক অঞ্চলের সেনাপতি ফাং ফেং হুই সঙ্গে থেকে থিয়েন-আন-মেন ভবন থেকে রওনা হয়ে পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে যথাক্রমে চীনের গণ মুক্তি ফৌজের স্থল, নৌ, বিমান, দ্বিতীয় গোলন্দাজ বাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ, মিলিশিয়া বাহিনী ও রিজার্ভ সৈন্যসহ মোট ৪৪টি বাহিনীর চৌকস দল পরিদর্শন করেছেন। পরে চলমান কুচকাওয়াজে ১৪টি পদব্রজ দল, ৩০টি স্থল সাজসরঞ্জাম দল ও ১২টি বিমান বাহিনীর দল পালাক্রমে থিয়েন-আন-মেন চত্বর অতিক্রম করে চীনের সশস্ত্র শক্তির মার্জিত আচার-আচরণ প্রদর্শন করেছে।

এবারের কুচকাওয়াজে ৫০০টি সাজসরঞ্জাম ও ১৫০টিরও বেশি বিমান প্রদর্শিত হয়েছে। চীনের অতীতের জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজের মধ্যে এবারে প্রদর্শিত চীনের উত্পাদিত সাজসরঞ্জামের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি এবং আকার সবচেয়ে বড়। জঙ্গী-১০ ও জঙ্গী-১১বিসহ নানা নতুন ধরনের জঙ্গী বিমান প্রথম বারের মতো এবার প্রদর্শিত হয়েছে। এটা হচ্ছে চীনের প্রতিরক্ষা ও সেনাবাহিনীর সর্বশেষ সাফল্যের সম্পূর্ণ প্রদর্শন। এ থেকে প্রতিপন্ন হয়েছে যে, চীনের প্রতিরক্ষা শক্তি অর্ধ যান্ত্রিকায়ন থেকে যান্ত্রিকায়ন ও তথ্যায়নের মিশ্র উন্নয়ন এবং একীকরণের যৌথ যুদ্ধের নতুন অতিক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। (ইয়ু কুয়াং ইউয়ে) |