v চীনের বিশ্ব কোষv চীন আন্তর্জাতিক বেতারv বাংলা বিভাগ
পেইচিং প্রসঙ্গে পাকিস্তান ক্রীড়া কমিটির চেয়ারম্যানের অনুভূতি
2008-09-02 19:31:10
    ৩৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত পাকিস্তানের অলিম্পিক প্রতিনিধি দল ১ আগষ্ট পেইচিং অলিম্পিক গ্রামে থাকতে শুরু করে। সম্প্রতি আমাদের বেতারের সংবাদদাতা পাকিস্তানের ক্রীড়া কমিটির চেয়ারম্যান আখতার কানজেরার এক সাক্ষাত্কার নিয়েছেন।

    কানজেরা সংবাদাদাতাকে বলেন, তিনি পাকিস্তানে পেইচিং অলিম্পিক ভেন্যুর ছবি দেখেছেন। কিন্তু নিজের চোখে সত্যি বার্ড নেস্ট ও ওয়াটার কিউবিক দেখার পর তিনি মনে করেন, মাত্র এক শব্দে তাঁর অনুভূতি বর্ণনা করতে পারেন। তা হলো অবিশ্বাসযোগ্য নয়। তিনি বলেন,

    পেইচিং অলিম্পিক গেমসের ভেন্যুর ডিজাইন খুব নতুন। বলা যায়, আগে বিশ্বে কখনও দেখা যায়নি। তাদের মধ্যে বিশেষ করে বার্ড নেস্টের ডিজাইন খুব সুন্দর। অনেকে এখানে ছবি তুলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আমি আর পাকিস্তানের অন্যান্য খেলোয়াড়রা ওয়াটার কিউবিক খুব পছন্দ করেছি। যেন একটি বরফ দিয়ে নির্মিত হয়েছে এবং দারুন লাগছে।

    অলিম্পিক ভেন্যুর নির্মাণ ছাড়াও সাফল্যের সঙ্গে পেইচিং অলিম্পিক গেমস আয়োজনের জন্য চীন সরকার অলিম্পিক গ্রাম নির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক চেষ্টা করেছে। অলিম্পিক গ্রামে কয়েক দিন থাকার পর এ প্রসঙ্গে কানজেরার বিশেষ অনুভূতি আছে। তিনি বলেন,

    এবারের অলিম্পিক গেমস আয়োজনে চীন সরকার অনেক চেষ্টা করেছে। আমি মনে করি, এশীয় দেশে অলিম্পিক গেমস আয়োজন সারা এশিয়ার গৌরব। তা ছাড়া, চীন সরকারের প্রস্তুতি কাজ খুব পূর্ণাঙ্গ। অলিম্পিক গ্রামে খাবার ও থাকার সুযোগ খুব ভালো। চীনের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশ খুব সুগভীর।

    কানজেরা বলেন, পেইচিং অলিম্পিক গ্রামে মুসলিম খাবার দেয়া হয় কিনা এবং পেইচিং মসজিদ আছে কিনা এ সম্পর্কে মুসলিম দেশের প্রতিনিধি দল হিসেবে তারা উদ্বিগ্ন ছিলেন। কিন্তু অলিম্পিক গ্রামে যাওয়ার পর আমাদের সব সংশয় দূর হয়েছে। তিনি বলেন, চীন একটি মুসলিম দেশ নয়, তা সত্ত্বেও, চীন তাদেরকে দেয়া সুবিধা অন্যান্য মুসলিম দেশের চেয়ে আরো ভালো। তিনি প্রথমবারের মতো মুসলিম দেশ ছাড়া অন্য দেশে বাসায় থাকর অনুভূতি বোধ করেছেন। তিনি বলেন,

    পেইচিং অলিম্পিক গ্রাম আমাদের জন্য নানা ধরণের মুসলিম খাবার যুগিয়েছে। এখানে খাওয়ার ব্যাপারে আমার কোন উদ্বেগ ছিল না। তা ছাড়া, চীনে আসার আগে আমি সংশয়ে ছিলাম যে, আমি কোথায় নামাজ পড়বো। এখন আমি খুব খুশি দেখি যে, অলিম্পিক গ্রামে মসজিদ আছে। আমি অলিম্পিক গ্রাম ত্যাগ না করেও নামাজ পড়তে পারি। আমার একজন চীনা বন্ধু আমাকে বলেন, পেইচিংয়ে মোট ৭০টিরও বেশি মসজিদ আছে। আমি মনে করি, চীনে বাস করা ঠিক যেন মুসলিম দেশের মতোই সুবিধাজনক ও আরামদায়ক।

    কানজেরা বলেন, পেইচিংয়ে থাকার কয়েক দিনে চীনা জনগণের উদ্দীপনা ও বন্ধুত্ব তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। তিনি বলেন, পাকিস্তান চীনের ভাই। চীন ও পাকিস্তানের মৈত্রী গভীরভাবে দু'দেশের জনগণের মনে আসীণ রয়েছে। তিনি আশা করেন, পেইচিং অলিম্পিক গেমসের মাধ্যমে দু'দেশের জনগণের সমঝোতা ও মৈত্রী বাড়ানো হবে। তিনি বলেন,

    চীনারা আমি একজন পাকিস্তানী জানার পর, তারা সবাই বলেন, পাকিস্তান চীনের বন্ধু। আমি মনে করি, চীনারা খুব বন্ধুত্বপ্রতীক। (লিলি)

  • সাক্ষাত্কার
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • অন-লাইন জরীপ
     
    © China Radio International.CRI. All Rights Reserved.
    16A Shijingshan Road, Beijing, China