দীর্ঘদিনের অপেক্ষার প্রহর শেষে সবাইকে চমকে দিয়ে বেইজিং অলিম্পিক গেমসের যাত্রা শুরু হলো আলো ঝলমল আড়ম্বরপূর্ণ চোখ ধাধানো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। বিশ্ববাসির কাছে এ যেন এক বিষ্ময়। পত্র পত্রিকাসহ বিশ্বের তথ্য মাধ্যমগুলো অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনি অনুষ্ঠানের ওপর তাদের মন্তব্য প্রকাশ করে এর ভূয়সী প্রশংসা করেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের পত্রিকাগুলোও উদ্বোধনি অনুষ্ঠানের প্রশংসা করে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এখানে আমরা বাংলাদেশের কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত মন্তব্য তুলে ধরলাম।
দৈনিক যুগান্তর: অলিম্পিকের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন
নিরাপত্তার চাদরে মোড়া বেইজিং সবুজ অলিম্পিক উপহার দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে অবগুন্ঠন সরালো বহুল প্রতীক্ষিত গেমসের। রঙে-রূপে-রসে টইটুম্বুর চীনের রাজধানীর হ্রদপিন্ডে অত্যাধূনিক প্রযুক্তির সাহায্যে নির্মিত ইস্পাতময় ন্যাশনাল স্টেডিয়াম 'বার্ডস নেস্টে' সাড়ে তিন ঘন্টার শ্বাসরূদ্ধকর বর্ণিল অনুষ্ঠান বিমুগ্ধ করে বিশ্ববাসীকে। সারাবিশ্বের কোটি কোটি দর্শক বিষ্ময়ে বিমোহিত হয়ে টিভির পর্দায় অবলোকন করে শতাব্দির সেরা অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ২০০৮ সালের অষ্টম মাসের অষ্টম দিনে রাত ৮টায় শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আট সংখ্যার প্রতি চীনাদের মাত্রাতিরিক্ত দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ এটি। 'এক বিশ্ব এক স্বপ্ন' এই থিম নিয়ে ২৯তম অলিম্পিক গেমসের আসর বসলো বিশ্বের বিষ্ময় চীনে। বিশ্বখ্যাত চীনা চলচ্চিত্রকার চাং ই মৌ দীর্ঘ তিন বছর ব্যয় করেছেন সাড়ে তিন ঘন্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান তৈরি করতে। ১৫,০০০ পারফরমার ইন্দ্রজাল বিস্তার করেন গোটা অনুষ্ঠানে। সবশেষে আতশবাজির রুদ্ধশ্বাস প্রদর্শনী রাতের বেইজিংকে করে তোলে মোহনীয়। আতশবাজির রোশনাইয়ে অপরূপ হয়ে উঠে 'পাখির নীড়'।
শুক্রবার সারা দুনিয়ার সব রাস্তা গিয়ে মিশেছিল বেইজিংয়ে। নজিরবিহীন কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ২০০৮ অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধন হয়। |