v চীন আন্তর্জাতিক বেতারv বাংলা বিভাগv চীনের বিশ্ব কোষ
China Radio International
পর্যটনসংস্কৃতিবিজ্ঞানখেলাধুলাকৃষিসমাজঅর্থ-বাণিজ্যশিক্ষার আলো
চীনা সংবাদ
বিশ্ব সংবাদ
চীনের কণ্ঠ
সংবাদ ব্যক্তিত্ব
সংবাদের প্রেক্ষাপট
নানা দেশ
কুইজ
আবহাওয়া

মহা মিলন ২০০৮ পেইচিং অলিম্পিক গেমস

ভয়াবহ ভূমিকম্প দক্ষিণ-পশ্চিম চীনে আঘাত হেনেছে

লাসায় ১৪ মার্চ যা ঘটেছিল

ইয়ুন নান প্রদেশ

দক্ষিণ এশিয়া

তৃতীয় নয়ন
আরো>>
(GMT+08:00) 2007-11-12 21:00:06    
চীনের ইয়ুন্নান প্রদেশ সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়

cri
    ইয়ুন্নান প্রদেশ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত। মোট ২৫টি সংখ্যালঘু জাতি এই প্রদেশে বসবাস করে। এ কারনে, ইয়ুন্নান প্রদেশে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী বৈশিষ্ট্যময় সংস্কৃতি রয়েছে। দীর্ঘকাল ধরে ইয়ুন্নান প্রদেশ সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নের দিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে আসছে এবং এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জন করেছে। এখন শুনুন চীন আন্তর্জাতিক বেতারের নিজস্ব সাংবাদদাতার পাঠানো একটি রির্পোট।

    শ্রোতা বন্ধুরা, আপনারা যে সংগীত শুনেছেন তা হল ইয়ুন্নান সংগীত ও নৃত্য দলের পরিবেশিত সংগীত। এই সংগীতের নাম " ইয়ুন্নানের ভাবমূর্তি"। চীনা জনগণের এই সংগীত খুব প্রিয়। ইয়ুন্নান প্রদেশের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার সংস্কার কেন্দ্রের উপ পরিচালক নি জিন খুয়ে ব্যাখ্যা করে বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নে ইয়ুন্নান প্রদেশ অনেক চেষ্টা করেছে। তিনি মনে করেন, অর্থনীতি উন্নয়নের পাশাপাশি সংখ্যালঘু    জাতির সংস্কৃতি সংরক্ষণের কাজও তরান্বিত করা উচিত। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

    আমাদের সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতি সংরক্ষণ বলতে উন্নয়নও সংরক্ষণকে বুঝায়। এই সংরক্ষণ সমাজের অগ্রগতির নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া উচিত। আমাদের সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতিকেতুলে ধরা এই সংস্কৃতি সংরক্ষনেরমূল লক্ষ্য।

    তিনি বলেন, সংখ্যালঘু জাতির ইতিহাস ও সংস্কৃতির উত্স উদ্ঘাটন করা এবং এই সংস্কৃতিকে সংরক্ষিত ও বিকশিত করার জন্যে ইয়ুন্নান প্রদেশের সরকার ধারাবাহিক নীতি প্রকাশ করেছে। এ সব নীতি কার্যকর করার পর ইয়ুন্নান প্রদেশের সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতিক সংরক্ষণ কাজে লক্ষ্যণীয় সাফল্য এসেছে।

    লিচিয়াং একটি প্রচীন শহর। এই শহরের ইতিহাস ৮০০ বছরেরও বেশী সময়ের। ১৯৯৭ সালে লিচিয়াং শহরকে " বিশ্ব সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার "তালিকার অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এর পর এই প্রাচীননগরের সংস্কার ও ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন স্তরের সরকার ও সম্প্রদায় মোট ৫০ কোটি ইউয়ান রেন মিন পি বরাদ্দ করেছে। গত ১০ বছরে পযর্টন ও সংস্কৃতি শিল্পের প্রভাবে লিচিয়াং শহরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। লিচিযাং শহরের সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর পরিচালক হো সি ইয়ং বলেন, সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের বিষয়টি সম্পর্ক সঠিকভাবে করা হয় কি না তা মূন্যায়ন করা এই শহরের দ্রুত উন্নয়নের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন,

    আমাদের ধারণা এই যে, প্রথমে সংরক্ষণ, তারপর উন্নয়ন ও তার যুক্তিযুক্তভাবে প্রয়োগ। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লিচিয়াংয়ের পুরার্কীতি সংরক্ষণ ও পযর্টন শিল্পের সমন্বিত উন্নয়ন হয়েছে। আমাদের উত্তরাধিকার সংরক্ষণ ক্ষেত্রের সংশ্লিষ্ট বিধি ও আইন কড়াকড়িভাবে মেনে চলার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও গবেষণা ক্ষেত্রে আরো বেশী চেষ্টা চালানো উচিত।

    বতর্মানে সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতি উন্নয়নের জন্যে ইয়ুন্নান প্রদেশের সরকার বে-সরকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসার ব্যাপারে উত্সাহিত করছে। সম্প্রতি ইয়ুন্নান প্রদেশের সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কোন কোন বেসরকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অবদান উল্লেখযোগ্য।