v চীন আন্তর্জাতিক বেতারv বাংলা বিভাগv চীনের বিশ্ব কোষ
China Radio International
পর্যটনসংস্কৃতিবিজ্ঞানখেলাধুলাকৃষিসমাজঅর্থ-বাণিজ্যশিক্ষার আলো
চীনা সংবাদ
বিশ্ব সংবাদ
চীনের কণ্ঠ
সংবাদ ব্যক্তিত্ব
সংবাদের প্রেক্ষাপট
নানা দেশ
কুইজ
আবহাওয়া

মহা মিলন ২০০৮ পেইচিং অলিম্পিক গেমস

ভয়াবহ ভূমিকম্প দক্ষিণ-পশ্চিম চীনে আঘাত হেনেছে

লাসায় ১৪ মার্চ যা ঘটেছিল

ইয়ুন নান প্রদেশ

দক্ষিণ এশিয়া

তৃতীয় নয়ন
আরো>>
(GMT+08:00) 2007-08-01 17:14:58    
জাতিসংঘ দারফুর অঞ্চলে জাতিসংঘ ও আফ্রিকান ইউনিয়নের যৌথ শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে

cri
    জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ৩১ জুলাই ১৭৬৯ নম্বর প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। প্রস্তাবে সুদানের দারফুর অঞ্চলে ২৬ হাজার সৈন্য নিয়ে গঠিত জাতিসংঘ ও আফ্রিকান ইউনিয়নের যৌথ শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    প্রস্তাবে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর কাছে ৩০ দিনের মধ্যে যৌথ শান্তিরক্ষী বাহিনীর জন্যে পুঁজি ও সৈন্য পাঠানোর কাজ শেষ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবে দারফুরের সংঘর্ষ-লিপ্ত বিভিন্ন পক্ষের প্রতি অবিলম্বে সকল বৈরিতা বন্ধ করা এবং স্থায়ী যুদ্ধ বিরতি বাস্তবায়নের আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রস্তাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, দারফুর সমস্যা সামরিক উপায়ে সমাধান করা উচিত নয়। প্রস্তাবে এও আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, সুদান সরকার এবং অন্যান্য সংঘর্ষ-লিপ্ত পক্ষ জাতিসংঘ ও আফ্রিকান ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় আলোচনার মাধ্যমে বিবাদ সমাধান করতে পারবে।

    এদিন বিকেলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এ মাসের পালক্রমিক সভাপতি, জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াং কুয়াংইয়া এ প্রস্তাব প্রসঙ্গে বলেছেন, শান্তিরক্ষী বাহিনীর বন্টন হচ্ছে দারফুর সমস্যার সমাধানের একটি দিক। শান্তি চুক্তি সম্পাদন ও কার্যকর করার জন্যে দারফুর অঞ্চলের বিভিন্ন দলের সমঝোতা সৃষ্টি হচ্ছে দারফুর অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি বাস্তবায়নের মৌলিক পূর্বশর্ত।

    ওয়াং কুয়াংইয়া বলেন, দারফুর অঞ্চলের সংকটের মূল কারণ হচ্ছে উন্নয়ন সমস্যা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দারফুর অঞ্চলের উন্নয়নের কৌশল প্রণয়ন করা এবং দৃষ্টি রাখার মাত্রা বাড়ানো। যাতে সার্বিকভাবে দারফুর অঞ্চলের পরিস্থিতির উন্নয়ন করা যায় এবং সংঘর্ষের মূল কারণ নির্মূল করা যায়। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, চীন আশা করে, দারফুর সমস্যার সমাধান যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সঠিকভাবে করা হবে। চীন গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে। (লিলি)