|
 |
(GMT+08:00)
2006-11-21 21:26:02
|
 |
চীন-ভারত সীমান্ত সমস্যা শীঘ্রই নিষ্পত্তি করা দু'পক্ষের অভিন্ন স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ
cri
২১ নভেম্বর ভারত সফররত চীনের প্রেসিডেন্ট হু চিন থাও ভারতের প্রধান মন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকের পর দু'ই নেতা বলেছেন, সীমান্ত সমস্যা নিষ্পত্তি করা দু'দেশের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট হু চিন থাও সাংবাদিকদের বলেছেন,
আমরা মনে করি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সীমান্ত সমস্যা নিষ্পত্তি করা দু'দেশের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এটা হলো দু'দেশের অভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্য। দু'পক্ষপুরোদমে এ ক্ষেত্রে কাজ চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছে। সীমান্ত সমস্যা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার আগে দু'পক্ষ মিলিতভাবে সীমান্ত অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করবে। দু'পক্ষ চীন-ভারত সম্পর্কের উন্নয়নে আশাবাদী।
মনমোহন সিং বলেছেন, সীমান্ত সমস্যার সমাধান ভারত ও চীনের কৌশলগত অংশীদারী সম্পর্কের জন্য নতুন প্রাণশক্তি যোগাবেদেবে। তিনি বলেছেন,
সীমান্ত সমস্যায় আমাদের বিশেষ প্রতিনিধিরা যে অগ্রগতি অর্জন করেছেন প্রেমিডেন্ট হু এবং আমি তার প্রশংসা করেছি। আমাদের দায়িত্ব হল তাদেরকে পুরোদমে এই কাজ চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেয়া। যাতে রাজনৈতিক উপায়ে সীমান্ত সংক্রান্ত মৌলিকসমস্যার সমাধান করা যায়। আমরা এক মত হয়েছি যে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দু'দেশের সীমান্ত সমস্যার নিষ্পত্তি করা হবে। এটা দু'দেশের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
উল্লেখ্য , আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত সমস্যা নিষ্পত্তি করার জন্যে ২০০৩ সালে দু'দেশের প্রধান মন্ত্রীদ্বয় যথাক্রমে নিজ নিজ দেশের বিশেষ প্রতিনিধিকে নিযুক্ত করেছেন। এখন পর্যন্ত দু'দেশের মধ্যে আট দফা বৈঠক হয়েছে। ২০০৫ সালের ১১ এপ্রিল রাজনৈতিক উপায় দু'দেশের সীমান্ত সমস্যায় নিষ্পত্তির জন্য এতটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
|
|
|