v চীন আন্তর্জাতিক বেতারv বাংলা বিভাগv চীনের বিশ্ব কোষ
China Radio International
পর্যটনসংস্কৃতিবিজ্ঞানখেলাধুলাকৃষিসমাজঅর্থ-বাণিজ্যশিক্ষার আলো
চীনা সংবাদ
বিশ্ব সংবাদ
চীনের কণ্ঠ
সংবাদ ব্যক্তিত্ব
সংবাদের প্রেক্ষাপট
নানা দেশ
কুইজ
আবহাওয়া

মহা মিলন ২০০৮ পেইচিং অলিম্পিক গেমস

ভয়াবহ ভূমিকম্প দক্ষিণ-পশ্চিম চীনে আঘাত হেনেছে

লাসায় ১৪ মার্চ যা ঘটেছিল

ইয়ুন নান প্রদেশ

দক্ষিণ এশিয়া

তৃতীয় নয়ন
আরো>>
(GMT+08:00) 2006-06-08 16:05:13    
নিউজিল্যান্ড

cri
    ৬ ফেব্রুয়ারী নিউজিল্যান্ডের জাতীয় দিবস।

    সিলভিয়া কার্টরাইট ২০০১ সালের এপ্রিল মাসে নিউজিল্যান্ডের গভর্ণর জেনারেল হন। ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর হেলেন ইলিজাবেথ ক্লার্ক নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর তিনি তৃতীয় বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। আনন্দ সত্যানন্দ ২০০৬ সালের আগষ্ট মাসে গভর্ণর জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে প্রথম এশীয় গভর্ণর জেনারেল হবেন।

    নিউজিল্যান্ডের লোকসংখ্যা ৪০.৭ লাখ। তাঁদের মধ্যে ইউরোপীয় অভিবাসীদের বংশধরদের অনুপাত প্রায় শতকরা ৭৮.৮ ভাগ। মাওরি লোকদের সংখ্যা মোট লোক সংখ্যার প্রায় ১৪.৫ শতাংশ। নিউজিল্যান্ডের জনগণের ৭৫ শতাংশ উত্তর দ্বীপে থাকেন। অকল্যান্ড এলাকার লোক সংখ্যা মোট সংখ্যার শতকরা ৩০.৭ ভাগ। রাজধানী ওয়েলিংটন এলাকার লোক সংখ্যা মোট সংখ্যার ১১ শতাংশ। অকল্যান্ড হলো নিউজিল্যান্ডের সর্বাধিক জনবহুল বড় শহর। নিউজিল্যান্ডের রাষ্ট্র ভাষা ইংরেজী ও মাওরি । জনগণের মধ্যে ৭০ শতাংশ প্রোটেস্ট্যান্টম ও ক্যাথলিক ।

    নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটন হচ্ছে পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর। নগরের লোক সংখ্যা ৪২ হাজার ৮০০ । নিউজিল্যান্ড একটি উন্নত দেশ। পশুপালন তার অর্থনীতির ভিত্তি। তার কৃষিজাত দ্রব্যের রপ্তানির পরিমাণ মোট রপ্তানীর ৫০ শতাংশ।

    নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বকে রক্ষা করা। বিশেষ করে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি, যাতে নিউজিল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা সুরক্ষা এবং তার অর্থনীতির সমৃদ্ধি ও অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্ক ত্বরান্বিত করা যায়।

    ১৯৭২ সালের ২২ ডিসেম্বর নিউজিল্যান্ড ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর দু'দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার সম্পর্ক অব্যাহতভাবে উন্নত হচ্ছে। ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর চীনের প্রেসিডেন্ট চিয়াং জে মিং নিউজিল্যান্ড রাষ্ট্রীয় সফর করেন। এটি হচ্ছে চীনের কোনো রাষ্ট্র প্রধানের প্রথম নিউজিল্যান্ড সফর । ২০০০ সালের নভেম্বর মাসে নতুন গভর্ণর জেনারেল বোইস চীন সফর করেন। ২০০১ সালের এপ্রিল মাসে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্লার্ক চীন সফর করেছেন। ২০০৩ সালের অক্টোবর চীনের প্রেসিডেন্ট হু চিন থাও নিউজিল্যান্ডে রাষ্ট্রীয় সফর করেন। ২০০৫ সালের মে মাসে চীনের জাতীয় গণ কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান উ পাং কুও নিউজিল্যান্ডে মৈত্রী সফর করেন। ২০০৫ সালের মে মাসে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্লার্ক চীনে কর্ম সফর করেন। ২০০৬ সালের এপ্রিল মাসে চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন চিয়া পাও নিউজিল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক সফর করেন। সেবার দু'দেশ কয়েকটি সহযোগিতা চুক্তি ও দলিল স্বাক্ষর করে।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্বিপাক্ষিক আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্ক দ্রুত উন্নত হচ্ছে। চীন হচ্ছে বিশ্বে নিউজিল্যান্ডের চতুর্থ বাণিজ্যিক অংশীদার । ২০০৫ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য মূল্য ২.৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জিত হয়েছে। নিউজিল্যান্ড হচ্ছে চীনকে বাজার অর্থনীতি হিসেবে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম উন্নত দেশ এবং চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অবাধ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালানো প্রথম উন্নত দেশ।

    ২০০৪ সালের ডিসেম্বর মাসে চীন ও নিউজিল্যান্ডের অবাধ বাণিজ্য এলাকা সংক্রান্ত আলোচনা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।