|
||||||||||||||||||||||||||||
'২০১০ সাল চীনের বিশ্ব মেলা পর্যটন বর্ষে বিশ্বের এক'শটি শহরে বিশ্ব মেলা সংক্রান্ত পর্যটন সম্প্রচার মাস' এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ১ ফেব্রুয়ারী জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চীনের জাতীয় পর্যটন ব্যুরো এ কর্মসূচীর উদ্যোগ নিয়েছে। অনুষ্ঠান চলাকালে চীন বিশ্বের এক'শটি শহরে 'বিশ্ব মেলার পর্যটন' এ প্রসঙ্গ নিয়ে ২০০টি বৈচিত্র্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে, ব্যাপকভাবে বিশ্ব মেলার ধারণা সম্প্রচার করবে এবং চীনের বর্ণিল পর্যটন সম্পদ প্রকাশ করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনের জাতীয় পর্যটন ব্যুরোর উপ-মহাপরিচালক দু চিয়াং বিস্তারিতভাবে এ কর্মকান্ড আয়োজনের পটভূমি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, "শহর জীবনকে আরো সুন্দর গড়ে তোলা" প্রসঙ্গের সাংহাই বিশ্ব মেলা চলতি বছরের ১ মে থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চীনের সাংহাই'তে অনুষ্ঠিত হবে। এখন সাংহাই বিশ্ব মেলার প্রস্তুতিমূলক কাজ চাবিকাঠি পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সাংহাই বিশ্ব মেলাকে একটি সাফল্য, চমত্কার ও স্মরণীয় মহা সম্মিলনী আয়োজন করা হচ্ছে চীন সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দেয়া পবিত্র প্রতিশ্রুতি। দেশ বিদেশের আরো বেশি পর্যটক এ মহাসম্মিলনী উপভোগ করার উদ্দেশ্যে চীনের জাতীয় পর্যটন ব্যুরো ২০১০ সালকে চীনের বিশ্ব মেলা পর্যটন বর্ষ নির্ধারণ করেছে এবং মহাসমারোহে বিশ্বের এক'শটি শহরে বিশ্ব মেলা পর্যটন সম্প্রচার মাস কর্মকান্ড চালু করেছে।"
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও জাপানের পর্যটন ক্ষেত্রের আদানপ্রদান দিন দিন নিবিড় হয়েছে। বিশ্বের আর্থিক সংকট আর এ/এইচ-১ এন-১ ফ্লু'র প্রকোপের সম্মুখীন হলেও ২০০৯ সালে জাপান থেকে চীনে ভ্রমণের লোকসংখ্যা ছিল ৩৩ লাখ ২০ হাজার। জাপান পুনরায় চীনের সর্বাধিক উত্স বাজারে পরিণত হয়েছে। ২০০৯ সালে জাপানে যাওয়া চীনের পর্যটকের সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৫০ হাজার। জনগণের ঘন ঘন আসাযাওয়া দু'দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করেছে। দু চিয়াং বলেন, "সাংহাই বিশ্ব মেলা হচ্ছে চীনের পর্যটন শিল্প উন্নয়নের সুযোগ এবং জাপানসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পর্যটন শিল্প উন্নয়নের সুযোগ। আমরা জাপানের আইচি বিশ্ব মেলার সাফল্য অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে জাপানের পর্যটন মহলের সঙ্গে এবারের উন্নয়নের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা ও বিনিময় করতে ইচ্ছুক। আমরা চীন ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় বিনিময় ও দু'দেশের সম্পর্কের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখতে চাই।"
জাপানের সিনেটের স্পীকার সাতসুকি এদার চীনের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক আছে। ছোট বেলায় তিনি চীনে ছিলেন এবং চীনের প্রতি তাঁর বিশেষ অনুভূতি রয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি সাংহাই বিশ্ব মেলা ওসাকা বিশ্ব মেলা এবং আইচি বিশ্ব মেলাকে আরো সাফল্যমন্ডিত করার শুভ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, "চীনের উন্নয়ন দেখে নিজ দেশের শক্তিশালী হওয়ার মতো আনন্দ বোধ করি। চীন ২০০৮ সালের পেইচিং অলিম্পিকের পর এখন সুষ্ঠুভাবে সাংহাই বিশ্ব মেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা এর জন্য আনন্দ বোধ করি্ জাপানের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ক্ষমতাসীন হওয়ার পর পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও পর্যটনকে পরবর্তী অর্থনীতি উন্নয়নের তিনটি প্রধান দিক হিসেবে নির্ধারণ করেছে। আমরা এবারের বিশ্ব মেলার সাফল্যের জন্য যথাসাধ্য সাহায্য করবো।"
জাপানের পর্যটন বিভাগের প্রধান হিরোসি মিজোহাতা সাংহাই বিশ্ব মেলা কেবল চীন ও জাপানের পর্যটন শিল্পের মিলন সূত্রে হবে তা নয়, বরং এটা দু'দেশের সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ক্রীড়াসহ নানা ক্ষেত্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে জোরদার করবে। তিনি বলেন, "আমি বিশ্বাস করি, সাংহাই বিশ্ব মেলার সাফল্য চীন তথা গোটা এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। আমি আশা করি, এবারের সাংহাই বিশ্ব মেলার সুযোগে চীন ও জাপানের মধ্যকার পর্যটন, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ নানা ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও বিনিময় বাড়বে এবং দু'দেশের সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হবে।" (ইয়ু কুয়াং ইউয়ে)










| v একুশে বইমেলা সম্পর্কিত শাহিদা খাতুনের দেয়া সাক্ষাত্কার |
| v সিআরআই'র সাবেক বিশেষজ্ঞদের বসন্ত উত্সবের স্মৃতির কথা |
| v অমর একুশে বইমেলা সম্পর্কে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালকের দেয়া সাক্ষাত্কার |
| আরো>> |



| আরো>> |
| © China Radio International.CRI. All Rights Reserved. 16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040 |