লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস পত্রিকার খবরে প্রকাশ, মহামারী শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে কোনো কোনও নারীকে কারাগারে বন্দীদের দ্বারা আক্রান্ত হবার ঝুঁকির মধ্যে অতিরিক্ত সময় কাজ করে মাস্ক উত্পাদন করতে হয়। তারা প্রতিদিন ১২ ঘন্টা কাজ করেন, কিন্তু নিজেরা কোনো মাস্ক পাননি। একজন আক্রান্ত নারী বন্দী বলেন, এটা যেন দাসের কারাখানা!
এ প্রসঙ্গে চীনা মুখপাত্র বলেন, এ খবর দেখে অবাক হবার কিছু নেই। মার্কিন কারাগারের পরিবেশ খারাপ এবং বন্দীদের অত্যাচারিত হবার খবর প্রায়ই দেখা যায়। গুয়ান্তানামো বে কারাগার ও ইরাকের কারাগারে বন্দীদের ওপর মার্কিন সৈন্যদের অত্যাচারের খবর সবাই জানে। মানবাধিকারের অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না-করে বা নাক না-গলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত নিজের দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়া। (ইয়াং/আলিম/ছাই)