মে ২২: সম্প্রতি মার্কিন ওয়েবসাইট বেস্টিতে এক খবরে বলা হয়, মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র সিডিসি-কে নানা রাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা করে তাদের কোভিড-১৯ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা গণনার উপায় পরিবর্তন করার অপচেষ্টা করেছে মার্কিন নেতৃবৃন্দ ও হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের চাপে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রাজ্যের কোভিড-১৯ রোগে মৃত্যুবরণকারীর সংখ্যা অদ্ভুতভাবে কমানোর প্রবণতা দেখে গেছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে, এর পাশাপাশি দেশটিতে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে। এ অবস্থায় মার্কিন কিছু রাজনীতিবিদ চিকিৎসকদের প্রস্তাব শোনেন না, শুধু তাই নয়, তাঁরা পেশাদার ব্যক্তিদের মুখ বন্ধ করছেন, এমনকি নানা রাজ্যকে চাপ প্রয়োগ করে মৃত্যুর সংখ্যা কম দেখানোর অপচেষ্টা করছেন। যা সত্যিই অনেক বিস্ময়কর।
হোয়াইট হাউসের চাপে, বিশেষজ্ঞ মতামত উপেক্ষা করে দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদন শুরু হচ্ছে। তথ্যে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, লুইসিয়ানা, ভার্জিনিয়া, আরকানসাস, সাউথ ডেকোটায় সম্প্রতি কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এতে প্রমাণিত হয় যে, মার্কিন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. ফাউচির সতর্কতা সঠিক। তিনি বলেছিলেন, "কিছু কিছু অঞ্চল, শহর ও রাজ্যে লকডাউন তুলে নেওয়ার সময় এখনও হয় নি। এতে মহামারীর ঝুঁকি আরও বাড়বে।"
বর্তমানে, যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় এক লাখ। সিডিসি'র সাবেক পরিচালক টম ফ্রিডেন সতর্ক করে বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রে মহামারীর সবচেয়ে গুরুতর সময় এখনও আসে নি।" জরুরি মহামারী পরিস্থিতির মুখে মার্কিন নেতৃবৃন্দের নজর প্রতিরোধের উপর না, বরং তাদের মনোযোগ অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করে নির্বাচনে বেশি ভোট পাওয়ার দিকে। তাদের এ ধরনের অর্থহীন কর্মকাণ্ডে আরও বেশি নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাবে।
(আকাশ/তৌহিদ/রুবি)






