উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাতে আরও দুই হাজার চিকিৎসককে হুবেই প্রদেশে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া, কিছু হোটেল, স্টেডিয়াম ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র ব্যবহার করে সন্দেহভাজন আক্রান্ত, হালকা রোগী ও তাদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সেখানে ভর্তি করা হবে। কিছু তৃতীয় পর্যায়ের সাধারণ হাসপাতালকে ভাইরাস চিকিৎসার হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে। উচ্চ মানের চিকিত্সকদল, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও যন্ত্রপাতি পাঠানো হবে।
সম্মেলনে আরও বলা হয়, করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষেত্রে প্রথমে মানুষের প্রাণ রক্ষা করাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
(ছাই/তৌহিদ/আকাশ)






