Web bengali.cri.cn   
'আমার সংগীতে'
  2019-10-12 17:06:11  cri


বন্ধুরা, আজকের অনুষ্ঠানের শুরুতে আমি আপনাদেরকে নারী কন্ঠশিল্পী ওয়াং লিন'র গান শোনাবো। তিনি ১৯৮৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর গুয়াংচৌ শহরের ইউয়েস্যিউ এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০০০ সালে তিনি মেয়েদের একটি গ্রুপে যোগ দেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে সংগীতজগতে প্রবেশ করেন। ২০০৬ সালে তিনি কন্ঠশিল্পী সুন হুই'র সঙ্গে এসই গ্রুপ গড়ে তোলেন। একই বছরে গ্রুপটি'র প্রকাশিত সংগীত চীনের ওয়েবসাইটের দশটি শ্রেষ্ঠ সংগীতের একটি হিসেবে পুরস্কার লাভ করে। ২০০৭ সালে ওয়াং লিন নিজের প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ করেন। ২০০১ সালে 'কষ্ট দেওয়ার সামর্থ্য নেই' শীর্ষক গান প্রকাশ করে সারা চীনে জনপ্রিয় হয়ে ‌ওঠেন। আজকের অনুষ্ঠানে আমি আপনাদেরকে তাঁর কন্ঠে একটি গান শোনাবো। আশা করি, বন্ধুরা গানটি পছন্দ করবেন।

বন্ধুরা, শুনছিলেন ওয়াং লিন'র কন্ঠে 'কষ্ট দেওয়ার সামর্থ্য নেই' শীর্ষক গান। এখন আমি আপনাদেরকে কন্ঠশিল্পী থান ইয়ান চিয়ান'র কন্ঠে 'লাল বিন' শীর্ষক গান শোনাবো। থান ইয়ান চিয়ান হাইনান প্রদেশের ছিয়ংহাই শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি হলেন গুয়াংদং প্রদেশের হুলুসিবাউ পেশাদার কমিশনের চেয়ারম্যান। হুলুসি হলো চীনের একটি বৈশিষ্ট্যময় লোক-বাদ্যযন্ত্র। তিনি হলেন দিস্যিয়াও পেশাদার শিক্ষক ও স্যিংহাই সংগীত একাডেমির লোকসংগীত বিভাগের উপ-পরিচালক ও শিক্ষক। তিনি চীনা সংগীতজ্ঞ সমিতির লোক উইন্ড মিউজিক গবেষণা কমিতির সদস্য, চীনা পেশাদার বাঁশিবাদক কমিটির স্থায়ী সদস্য ও গুয়াংদং সংগীতজ্ঞ সমিতির সদস্যও বটে। এখন শোনাবো তাঁর বাজানো বাঁশির সুর 'লাল বিন সংগীত'। আশা করি, বন্ধুরা সুরটি পছন্দ করবেন।

বন্ধুরা, এখন আমি আপনাদেরকে একজন নারী-কন্ঠশিল্পীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবো। তিনি হলেন ছ্যু ওয়ান থিং। তিনি ১৯৮৩ সালের ১০ অক্টোবর হেইলুংচিয়াং প্রদেশের হার্বিন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৯ সালে তিনি কানাডার নেটওয়ের্ক (Nettwerk) মিউজিক কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। তাঁর নিজের লেখা গান 'তোমার অস্তিত্ব আমার গানে' রিলিজ হলে, সারা চীনে তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এখন আমি আপনাদেরকে তাঁর কন্ঠে 'প্রেমের সমুদ্র' নামের গান শোনাবো। গানটি ২০১৩ সালে রিলিজ হয়। তিনি গানের সুর করেছেন। এখন আমরা একসঙ্গে গানটি শুনবো।

বন্ধুরা, শুনছিলেন ছ্যু ওয়ান থিংয়ের কন্ঠে 'প্রেমের সমুদ্র' নামের গান। ২০১২ সালে তিনি ইউনিভার্সাল মিউজিক গ্রুপের সঙ্গে (Universal Music Group) যুক্ত হন এবং প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ করেন। ২০১২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি ভ্যাঙ্কুভারের পর্যটনদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ১৮ অক্টোবর তিনি দ্বিতীয় অ্যালবাম প্রকাশ করেন। এখন আমি আপনাদেরকে 'সূর্যালোকে আমরা' গানটি শোনাবো। গানটি ২০১৩ সালে রিলিজ হয় এবং তাঁর দ্বিতীয় অ্যালবামে অন্তর্ভুক্ত হয়। চলুন আমরা একসঙ্গে গানটি শুনবো।

বন্ধুরা, শুনছিলেন ছু ওয়ান থিংয়ের কন্ঠে 'সূর্যালোকে আমরা' শীর্ষক গান। ২০১৩ সালে তিনি বিনোদনজগত ত্যাগ করেন। চার বছর পর ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবরে তিনি পুনরায় অ্যালবাম প্রকাশ করেন। এখন আমি আপনাদেরকে তাঁর কন্ঠে 'আমার সংগীতে' শীর্ষক গান শোনাবো। গানটি ২০১২ সালে রিলিজ হয়। ছু ওয়ান থিং গানটির কথা লিখেছেন এবং সুর রচনা করেছেন। গানটি একটি চলচ্চিত্রের থিম সং। তিনি এ গান দিয়ে সমগ্র চীনে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। চলুন, আমরা একসঙ্গে গানটি শুনবো।

প্রিয় শ্রোতা, এতোক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাদের সবাইকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ। যদি আমাদের অনুষ্ঠানে আপনারা কোনো পছন্দের গান শুনতে চান, তাহলে জানাবেন। আমাদের ই-মেইল ঠিকানা ben@cri.com.cn। আর আমার নিজস্ব ইমেইল ঠিকানা caiyue@cri.com.cn। 'গানের অনুরোধ' আমার নিজস্ব ই-মেইল ঠিকানায় পাঠালে ভালো হয়।

আজ তাহলে এ পর্যন্তই। আশা করি, আগামী সপ্তাহের একই দিন, একই সময়ে আবারো আপনাদের সঙ্গে কথা হবে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন, আনন্দে থাকুন। চাই চিয়ান। (ছাই/আলিম/ফেই)

© China Radio International.CRI. All Rights Reserved.
16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040