Web bengali.cri.cn   
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে চীনের বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ৬.৫ শতাংশ (অর্থ-কড়ি; ২৭ এপ্রিল ২০১৯)
  2019-04-27 13:11:28  cri


১. চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে তথা প্রথম তিন মাসে চীনে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ২২,৪২০ কোটি ইউয়ান, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬.৫ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে অবাধ পরীক্ষামূলক অঞ্চলে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল মোট পরিমাণের ১০ শতাংশ। চীনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কাও ফেং সম্প্রতি বেইজিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানান।

তিনি জানান, প্রথম তিন মাসে উচ্চ প্রযুক্তির শিল্প ও উচ্চ প্রযুক্তিগত সেবা খাতে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এর মধ্যে টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম শিল্প এবং কম্পিউটার ও অফিস সরঞ্জাম শিল্পে আসল বিদেশি বিনিয়োগ ব্যবহারের হার যথাক্রমে ৪৬.৯ ও ৪২.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

তিনি আরও জানান, প্রথম তিন মাসে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের চীনে বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধির হার ৭০ শতাংশ'র বেশি।

২. চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে চীনে বিদেশি মুদ্রার মজুত গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। চীনের জাতীয় বিদেশি মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর মুখপাত্র ওয়াং ছুন ইং সম্প্রতি বেইজিংয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, মার্চ মাসের শেষ দিক পর্যন্ত চীনের বিদেশি মুদ্রার মজুত ৩ লাখ ৯ হাজার ৮৮০ কোটি মার্কিন ডলার ছিল, যা গত বছরের শেষ নাগাদের তুলনায় ২৬০০ কোটি মার্কিন ডলার বেশি।

মুখপাত্র বলেন, দেশে বিদেশি মুদ্রার মজুত স্থিতিশীলভাবে বাড়ছে। চীন অব্যাহতভাবে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সুবিধাজনক করে তোলার জন্য ব্যবস্থা নেবে এবং বিদেশি মুদ্রার বাজার আরও উন্মুক্ত করবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে চীনের অর্থনীতি সুষ্ঠুভাবে উন্নত হচ্ছে। সার্বিক উন্মুক্তকরণ আন্তঃদেশীয় অর্থ প্রবাহের জন্য এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সুষ্ঠু ভিত্তি স্থাপন করেছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আর্থ-বাণিজ্যিক আলোচনা বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

৩. চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে চীনের জিডিপিতে ৬.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বছরের প্রথম তিন মাসে চীনের জিডিপি মোট ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩০ কোটি ইউয়ানে পৌঁছায়, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬.৪ শতাংশ বেশি। চীনের পরিসংখ্যান ব্যুরোর মুখপাত্র মাও শেং ইয়ুং সম্প্রতি বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এক নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলন এ তথ্য জানান।

মুখপাত্র জানান, চীনে প্রথম তিন মাসের অর্থনীতিতে সার্বিকভাবে স্থিতিশীল উন্নয়নের ধারা বজায় ছিল। এটা বছরের বাকি সময়ের জন্য একটা ভালো সূচনা।

তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মন্দাবস্থা চলছে। বাইরের অনিশ্চয়তা এবং অভ্যন্তরীণ কাঠামো-সংঘাতের কারণে প্রবৃদ্ধির হার কমতে পারে। তবে, ভবিষ্যতে সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেই অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

৪. ২০১৯ ও ২০২০ সালে চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ৬ শতাংশেরও বেশি করে। ফলে চীন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান চালিকশক্তি হিসেবে থাকবে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা সম্প্রতি বেইজিংয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দিয়েছে।

প্রতিবেদনে চীনের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হার খানিকটা কমে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বলা হয়, চীনের অর্থনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হচ্ছে। তা ছাড়া, বাণিজ্যিক সংঘাত ও বৈশ্বিক অর্থনীতির মন্দাবস্থার নেতিবাচক প্রভাবও এর জন্য দায়ী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের উচিত দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনৈতিক কার্যকারিতা বাড়ানো। পাশাপাশি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করে তোলা, ফাইন্যান্সিং খাতের ঝুঁকি কমানো, এবং আরও সাবধানী আর্থিকনীতি প্রণয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয় প্রতিবেদনে।

সংস্থার উপ-মহাসচিব জানান, চীনের অর্থনীতি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। চীনা অর্থনীতি ভিতরের ও বাইরের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এ অবস্থায় চীনা সরকারের উচিত, অর্থনীতিতে স্থিতিশীল ও সহনশীল উন্নয়ন বজায় রাখার লক্ষ্যে যথাযথ আর্থিকনীতি প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করা।

৫. চীনে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে তথা প্রথম তিন মাসে রাষ্ট্রীয় আয় ছিল ৫.৩ ট্রিলিয়ন ইউয়ান, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬.২ শতাংশ বেশি। আর প্রথম তিন মাসে রাষ্ট্রীয় ব্যয় ছিল ৫.৮ ট্রিলিয়ন ইউয়ান, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। চীনের অর্থ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ তথ্য জানায়।

চীনের অর্থ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ট্রেজারি ইন্সপেক্টর লি তা ওয়েই জানান, প্রথম তিন মাসে চীনের রাষ্ট্রীয় আয় ছিল সুষ্ঠু ও স্থিতিশীল। কর কমানোর নীতি কার্যকর হওয়ার পর, এবার ব্যক্তিকর খাতে আয় গত বছরের তুলনায় ২৯.৭ শতাংশ কম হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন খাতে কর কমানোর নীতির ভিত্তিতে সারা দেশে রাষ্ট্রীয় আয় একটি যুক্তিযুক্ত সংখ্যার মধ্যে বজায় রাখতে পারা একটি খুব ভাল লক্ষণ।

এদিকে, পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী, প্রথম তিন মাসে দারিদ্র্যবিমোচন খাতে ব্যয় বেড়েছে ৫৭.১ শতাংশ, দূষণমুক্তকরণ কার্যক্রমে ব্যয় বেড়েছে ৩৯.৮ শতাংশ, পরিবেশ রক্ষায় ব্যয় বেড়েছে ৫০.১ শতাংশ এবং প্রযুক্তি খাতে গবেষণায় ব্যয় বেড়েছে ৪৪.৬ শতাংশ।

৬. চীনা প্রধানমন্ত্রী লি খ্য ছিয়াং সম্প্রতি বেইজিংয়ে পঞ্চম চীন-জাপান উচ্চ পর্যায়ের অর্থনৈতিক সংলাপে অংশগ্রহণকারী জাপানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতে লি খ্য ছিয়াং বলেন, গত বছর থেকে চীন-জাপান সম্পর্ক স্বাভাবিক পথে ফিরে এসেছে এবং উন্নয়নের পথে চলছে। দু'পক্ষের উচিত 'চারটি রাজনৈতিক দলিলের' ভিত্তিতে এবং 'ইতিহাস মনে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার' ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সুষ্ঠু উন্নয়নে যৌথ প্রচেষ্টা চালানো।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, চীন ও জাপান বিশ্বের দুটি প্রধান অর্থনৈতিক সত্ত্বা। তা ছাড়া, দু'পক্ষই অবাধ বাণিজ্য এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মনীতির সমর্থক। তাই দু'দেশের উচিত পরস্পরের জন্য ন্যায় ও সমান বাণিজ্যিক পরিবেশ সৃষ্টি করা।

প্রধানমন্ত্রী লি বলেন, চীন অব্যাহতভাবে সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ চালিয়ে যাচ্ছে। জাপানি কম্পানিগুলোর চীনে বিনিয়োগকেও স্বাগত জানানো হচ্ছে। নব্যতাপ্রবর্তন ক্ষেত্রে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতেও ইচ্ছুক চীন। তা ছাড়া, ফাইন্যান্সিং ও পর্যটনসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়াতে চায় চীন। পাশাপাশি, জাপানের সঙ্গে 'চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া' অবাধ বাণিজ্য এলাকা এবং 'আরসিইপি' আলোচনা সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে ইচ্ছুক চীন।

৭. বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থার মহাপরিচালক ফ্রান্সিস গ্যারি সম্প্রতি সিআরআই'র সংবাদিককে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেন, চীন মেধাস্বত্বকে কৌশলগত পর্যায়ে গুরুত্ব দেয়। মেধাস্বত্ব রক্ষায় চীনের কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা 'এক অঞ্চল, এক পথ' উদ্যোগসংশ্লিষ্ট দেশগুলোর উচিত কাজে লাগানো।

তিনি বলেন, কৃষি, শিল্প, সেবা, ডিজিটাল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মেধাস্বত্ব রক্ষার লক্ষ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে চীন, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা। পাশাপাশি, চীন মেধাস্বত্ব রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গ্রহণ করেছে।

এদিকে, বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংখ্যার বিচারে গত বছর আন্তর্জাতিক পেটেন্ট আবেদনকারী দেশগুলোর মধ্যে চীনের অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। চীনের হুয়া ওয়েই কম্পানি গত বছর ৫৪০৫টি আন্তর্জাতিক পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছে, যা বিশ্বে কম্পানি পর্যায়ে একটি নতুন রেকর্ড।

৮. ইউরোপসহ বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে 'এক অঞ্চল, এক পথ' উদ্যোগের আওতায় সহযোগিতা চালাতে ইচ্ছুক চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু খাং সম্প্রতি বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন।

মুখপাত্র বলেন, 'এক অঞ্চল, এক পথ' হচ্ছে চীন-ইউরোপ সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের ১৬টি দেশ ইতোমধ্যে চীনের সঙ্গে 'এক অঞ্চল, এক পথ' সহযোগিতাচুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ইতালি ও লুক্সেমবার্গ এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশও চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষর করেছে।

৯. চীনের ১২৫তম আমদানি-রফতানি মেলা সম্প্রতি কুয়াংচৌ শহরে শুরু হয়। ৩৮টি দেশ ও অঞ্চলের ৬৫০টি প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই 'এক অঞ্চল, এক পথ' উদ্যোগসংশ্লিষ্ট দেশগুলোর। মেলার মুখপাত্র ও চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য কেন্দ্রের উপ-পরিচালক স্যু পিং এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মেলাকে তিন পর্বে ভাগ করা হয়েছে। মেলাস্থলের মোট আয়তন ১১ লাখ ৮৫ হাজার বর্গমিটার এবং বুথ ৬৬৫১টি। প্রথম ও তৃতীয় পর্বে থাকছে আমদানিপণ্যের প্রদর্শনী। আমদানিপণ্যের প্রদর্শনী হচ্ছে ২০ হাজার বর্গমিটার আয়তনজুড়ে। এখানে থাকছে ৬টি পণ্য প্রদর্শন এলাকা ও এক হাজার বুথ।

এ পর্যন্ত মেলাটি ৩৩টি 'এক অঞ্চল, এক পথ' উদ্যোগসংশ্লিষ্ট দেশের ৪৭টি শিল্প ও বাণিজ্য সংস্থা সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আগামী দুই বা তিন বছরে মেলাটি 'এক অঞ্চল, এক পথ' উদ্যোগসংশ্লিষ্ট সব দেশের সঙ্গে সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলবে।

মেলা চলবে আগামী ৫ মে পর্যন্ত।

১০. যুক্তরাষ্ট্র-জাপান প্রথম দফা মন্ত্রী পর্যায়ের বাণিজ্য-আলোচনা সম্প্রতি ওয়াশিংটনে শেষ হয়। দু'দিনব্যাপী আলোচনায় পণ্য ও ডিজিটাল বাণিজ্য অধিক গুরুত্ব পায়।

মার্কিন বাণিজ্য-প্রতিনিধি কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, দু'দেশ কৃষিপণ্যসহ পণ্যবাণিজ্যের বিভিন্ন বিষয় এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে উচ্চ মানদণ্ড গড়ে তোলা নিয়ে আলোচনা করেছে।

১১. জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমিতির উন্নয়ন ও অর্থসংগ্রহ ফোরাম সম্প্রতি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামে অংশগ্রহণকারী সরকারি কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বহুপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থার সংস্কার দ্রুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক উপ-মহাপরিচালক লিউ চেন মিন ফোরামে উন্নয়ন ও অর্থসংগ্রহ বিষয়ক কর্মগ্রুপের কর্মবিবরণী পাঠ করেন। বিবরণীতে বলা হয়, গত বছর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক ছিল। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বহুপক্ষীয় বাণিজ্য-কাঠামোর সংস্কার করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধীর ও ঋণ বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ছে।

(আলিমুল হক)

© China Radio International.CRI. All Rights Reserved.
16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040