Web bengali.cri.cn   
'মনের সংযুক্তি ও সাংস্কৃতিক সমন্বয়' চেতনায় বাংলাদেশের বাজার উন্নয়নে সচেষ্ট চীনের প্রতিষ্ঠান: ত্রয়োদশ জাতীয় গণকংগ্রেসের প্রতিনিধি মাদাম ইয়ান পাও লিং
  2019-03-22 15:32:49  cri

(চীনের ত্রয়েদশ জাতীয় গণকংগ্রেসে অংশগ্রহণের সময়ে গণমহাভবনের সামনে ছবি তুলেন ইয়ান পাও লিং)

'দেশের মধ্যে যোগাযোগ করতে চাইলে মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক জরুরি এবং মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক অর্জন করতে চাইলে মনের সংযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। চীনের এ প্রবাদে দেশ-দেশে বন্ধুত্বের চাবিকাঠির পাশাপাশি "এক অঞ্চল, এ পথ" উদ্যোগের আওতায় বিদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের দিক-নির্দেশনা প্রদান করে। "এক অঞ্চল, এক পথ" প্রস্তাবের উত্সাহে সর্বপ্রথমে বিদেশে অফিস স্থাপন করেন চীনের হংকংয়ের ফেই তা হ্যাট কোম্পানি লিমিটেড। এ কোম্পানি গত ২০১৩ সালের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করে। যার ফলে কোম্পানিটি দ্বিতীয়বারের মতো লাভজনক হয়ে ওঠে। কোম্পানিটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট, চীনের ত্রয়োদশ জাতীয় গণকংগ্রেসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের প্রবাসী চীনা অ্যাসোসিয়েশনের স্থায়ী প্রেসিডেন্ট মাদাম ইয়ান পাও লিং বলেন, '২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং "এক অঞ্চল, এক পথ" প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা চীনের প্রতিষ্ঠানের জন্য বৈদেশিক বাজারে প্রবেশ করার নির্দেশনা ও সুযোগ সৃষ্টি করে। "মন সংযুক্ত ও সাংস্কৃতিক মিশ্রণ" চেতনায় বাংলাদেশের মাটিতে দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপক অগ্রগতির পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও গণজীবিকা উন্নত করতে সাহায্য করেছে।

(চীনের ত্রয়েদশ জাতীয় গণকংগ্রেসে অন্যান্য অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছবি তুলেন ইয়ান পাও লিং)

ত্রয়োদশ জাতীয় গণকংগ্রেসের প্রতিনিধি মাদাম ইয়ান পাও লিংয়ের একান্ত সাক্ষাত্কার নিয়েছেন আমাদের সংবাদদাতা। এবার শুনুন তার সরল বাংলা অনুবাদ।

(ফেই তা কোম্পানি লিমিটেডের বাংলাদেশের কারখানা)

২০১৩ সালের শরত্কালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং "এক অঞ্চল, এক পথ" প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ পর্যন্ত বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা চীনের সঙ্গে "এক অঞ্চল, এক পথ" সংশ্লিষ্ট সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। বিশ্বের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশেরও বেশি এবং বিশ্বের জিডিপি'র ৩০ শতাংশেরও বেশি দেশ ও অঞ্চল "এক অঞ্চল, এক পথ" সংশ্লিষ্ট নির্মাণকাজের আওতায় রয়েছে। সদ্যসমাপ্ত ২০১৯ সালের চীনের দুই অধিবেশনে পেশ করা সরকারি-বিবরণীতে আবারও "এক অঞ্চল, এক পথ" যৌথ নির্মাণের ধারণা জোরালো হয়েছে। মাদাম ইয়ান পাও লিং ত্রয়োদশ গণকংগ্রেসের বার্ষিক অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন এবং "এক অঞ্চল, এক পথ" সংশ্লিষ্ট যৌথ নির্মাণ করার ব্যাপারে কিছু প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, এবারে অধিবেশনে তিনি "এক অঞ্চল, এক পথ" প্রস্তাবের ওপর নজর দেন। তিন বলেন, "এক অঞ্চল, এক পথ" উদ্যোগের কারণে তার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে শাখা অফিস স্থাপন করেছে। এর ফলে কোম্পানি আগেকার কাঠিন্য কাটিয়ে উঠে নতুন উন্নতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন সম্পর্কে ইয়ান পাও লিং বলেন, "২০১৩ সালে জাতীয় গণকংগ্রেসের প্রতিনিধি হওয়ার পর "এক অঞ্চল, এক পথ" উদ্যোগের কথা শুনেছি। "এক অঞ্চল, এক পথ" উদ্যোগের নানা বিষয় দেখে মনে করতাম যে, এটি আমার প্রতিষ্ঠান বৈদেশিক বাজারে প্রবেশের বড় সুযোগ। সে সময় থেকে আমি এ নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করি। ঠিক এ সময় আমাদের এক বন্ধু জানান যে, বাংলাদেশে একটি ১০০ জন কর্মীর একটি ছোট কারখানা বিক্রি হওয়ার কথা। আমার সৌভাগ্য যে, আমি সেই প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করি। বাংলাদেশে ভালো টেক্সটাইল কারখানা রয়েছে। দেশটি দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। অন্যদিকে বাংলাদেশের অর্থনীতি অত উন্নত নয়। দেশের অর্থনীতি উন্নত করতে হলে অনেক বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়। সেজন্য এটিও আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় সুযোগ। তা ছাড়া, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটিও বেশি।

1  2  3  4  
© China Radio International.CRI. All Rights Reserved.
16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040