Web bengali.cri.cn   
'চীন আন্তর্জাতিক আমদানি মেলা' ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুযোগ: অস্ট্রেলীয় মন্ত্রী  (অর্থ-কড়ি; ৩ নভেম্বর ২০১৮)
  2018-11-03 15:27:36  cri


১. অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগমন্ত্রী সায়মন বার্মিংহাম বলেছেন, আসন্ন 'চীন আন্তর্জাতিক আমদানি মেলা' বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বড় সুযোগ। সম্প্রতি একদল চীনা সাংবাদিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চীনের নিজের অর্থনৈতিক শক্তি প্রদর্শনেরও এটা বড় সুযোগ।

তিনি বলেন, এই মেলাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে তাঁর দেশ। আর তাই, অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রায় ১৮০টি ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও ব্রান্ড এতে অংশগ্রহণ করছে।

চীনকে অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে তিনি আরও বলেন, চীন অর্থনীতিতে অল্প সময়ে বিপুল অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং দারিদ্র্যবিমোচনে অভূতপূর্ণ সাফল্য দেখিয়েছে। চীন তাঁর অর্থনৈতিক অগ্রযাত্র্রা অব্যাহত রাখবে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব রেখে যাবে বলে অস্ট্রেলিয়া আশা করে।

উল্লেখ্য, প্রথম 'চীন আন্তর্জাতিক আমদানি মেলা' আগামী ৫ থেকে ১০ নভেম্বর শাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

২. ইসলামাবাদে চীনা দূতাবাসের বাণিজ্য কাউন্সিলার ওয়াং চি হুয়া সম্প্রতি চীন আন্তর্জাতিক বেতারকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, চীনে পাকিস্তানি পণ্যের রফতানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তাই, শাংহাইয়ে অনুষ্ঠেয় আসন্ন আন্তর্জাতিক আমদানি মেলাকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে পাকিস্তান। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নেতৃত্বে একটি সরকারি উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদল মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবে।

কাউন্সিলার ওয়াং বলেন, মেলায় যেসব পাকিস্তানি শিল্পপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে, তাদের প্রস্তুতিমূলক কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। মেলায় এসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের উত্পাদিত বস্ত্র, খাদ্য, চিকিত্সাসরঞ্জামসহ বিভিন্ন পণ্য তুলে ধরবে।

এদিকে, এবারের মেলার মাধ্যমে বিভিন্ন চীনা শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের সামনে নিজ দেশের পণ্যকে তুলে ধরার সুযোগ কাজে লাগানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি আশা করেন, ভবিষ্যতে আরও বেশি পাক পণ্য ও সেবা চীনা বাজারে প্রবেশে সক্ষম হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের পাকিস্তান সফরের পর, দু'দেশের সার্বক্ষণিক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের সম্পর্ক আরও উন্নত হয় এবং দ্বিপাক্ষিক আর্থ-বাণিজ্যিক সহযোগিতা নতুন পর্যায়ে উন্নীত হয়। বিগত চার বছর ধরেই চীন পাকিস্তানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। দু'দেশের মধ্যে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ প্রতিবছরই বাড়ছে।

৩. চলতি বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে চীনে তথ্যের ভোগ অনেক বেড়েছে। এসময় দেশটিতে টেলিযোগাযোগ খাতে ব্যবসার মোট পরিমাণ বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩৯.৮ শতাংশ। চীনের শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ-তথ্য জানায়।

মন্ত্রণালয়ের টেলিকম বিভাগের পরিচালক ওয়েন খু জানান, জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর সময়কালে ইন্টারনেট-সেবা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে মোট রাজস্ব বেড়েছে আগের বছরের একই সময়কালের চেয়ে ২০.২ শতাংশ। এসময় মোবাইল ডাটা আদান-প্রদান বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি।

মন্ত্রণালয়ের উপাত্ত অনুসারে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ পর্যন্ত চীনের সেলফোন ব্যবহারকারীদের ৭৪.৩ শতাংশ ফোর-জি নেটওয়ার্ক-সেবা গ্রহণ করছিলেন।

৪. চীনের পরিবহন খাতে ফিক্সড-অ্যাসেট ইনভেস্টমেন্ট (এফএআই) বেড়েছে। সরকারের পূর্ব-পরিকল্পনামাফিক এই খাতে চলতি বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে এফএআই বেড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, চলতি বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে পরিবহন খাতে এফএআই ১.৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ২.২৮ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে। এর মধ্যে দেশের সড়ক ও নৌপথে বিনিয়োগ হয়েছে ১.৬৫ ট্রিলিয়ন ইউয়ান, যা বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ৯০ শতাংশ।

৫. কেনিয়া তথাকথিত 'চীনা ঋণের ফাঁদে' পড়েনি, বরং নিজস্ব কর্মসূচি অনুয়ায়ী উন্নয়ন-কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি, সাহায্যকারী দেশগুলোর সঙ্গেও সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে কেনিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াত্তা সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে স্পষ্টভাষায় এসব কথা বলেন। ২৯ অক্টোবর সিএনএন-এ ওই সাক্ষাত্কারটি প্রচারিত হয়।

সাক্ষাত্কারে সংবাদদাতা রিচার্ড কোয়েস্টের এক প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট কেনিয়াত্তা বলেন, কেনিয়া শুধু চীনের কাছ থেকে ঋণ নিচ্ছে, তা নয়; যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেও ঋণ নিচ্ছে। কেনিয়া বহুপক্ষীয় ঋণও নিচ্ছে। কেনিয়ার ঋণ-পরিস্থিতি ভারসাম্যপূর্ণ রয়েছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো অনেক দিন ধরেই তথাকথিত 'চীনা ঋণের ফাঁদ' নিয়ে গুজব প্রচার করে আসছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই এর বিরোধিতা করে জানিয়েছে, চীন ঋণ দেওয়ার সময় কোনো রাজনৈতিক শর্ত আরোপ করে না। চীন সবসময় ঋণগ্রহণকারী দেশেগুলোর ইচ্ছা ও চাহিদা অনুসারে, অবকাঠামো খাতে ঋণ বা জরুরি আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। এসব ঋণের উদ্দেশ্য, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে টেকসই উন্নয়নের পথে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করা।

৬. ২০১৭ সালের শেষ দিকে কর্পোরেট ট্যাক্স ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেয় মার্কিন সরকার। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত দেশের বিনিয়োগ-পরিস্থিতি উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারেনি। সম্প্রতি এক জরিপ থেকে এ-তথ্য জানা গেছে। জরিপটি চালায় ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশান ফর বিজনেস ইকনোমিকস্‌।

জরিপ অনুসারে, ট্যাক্স কমাতে মার্কিন শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফা বেড়েছে। কিন্তু এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ ও লোকবল নিয়োগ পরিকল্পনায় কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেনি। গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প সরকার কর্পোরেট ট্যাক্স ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২১ শতাংশ করে।

ট্রাম্প প্রশাসন বলেছিল যে, ট্যাক্স কমালে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগ বাড়াবে এবং আরও বেশি লোক নিয়োগ করবে। পাশাপাশি, মার্কিন কোম্পানিগুলোর বিদেশমুখী প্রবণতা হ্রাস পাবে। কিন্তু বাস্তবে তেমনটি ঘটেনি।

৭. গত পাঁচ বছরের মার্কিন প্রতিষ্ঠান আমাজন বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দান করেছে। ৫ বছর আগে শুরু করা 'আমাজনস্মাইল' নামক কার্যক্রমের আওতায় এ অর্থ দান করা হয় বলে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি জানায়।

৮. চলতি বছরের এপ্রিল থেকে অগাস্ট পর্যন্ত মিয়ানমার-ভিয়েতনাম দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। মিয়ানমারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এ-তথ্য জানায়।

এপ্রিল থেকে অগাস্ট—এই পাঁচ মাসে মিয়ানমার ভিয়েতনামে রফতানি করে ১১৯.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য এবং ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করে ২৪২.৩ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য। এনিয়ে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দু'দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের মোট পরিমাণ দাঁড়াল ৭১৪.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

মিয়ানমার ভিয়েতনামে মূলত খনিজ, কৃষিজাত, বনজ ও সামুদ্রিক পণ্য রফতানি করে এবং ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করে গাড়ির খুচরা যন্ত্রাংশ, কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ, নির্মাণসামগ্রী, স্টিল, প্লাস্টিকস্‌, ঔষধ ও রাসায়নিক।

৯. নির্মাণাধীন বাংলাদেশ-চীন অষ্টম মৈত্রীসেতু পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত চাং চৌ। তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশালের বাকুতিয়ায় সেতু-প্রকল্প পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি প্রকল্পের কর্মীদের উত্সাহ দেন এবং আশা করেন যে, তাঁদের কাজ চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী জোরদার করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ-চীন অষ্টম মৈত্রীসেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশান গ্রুপ। নির্মাণাধীন সেতুর দৈর্ঘ্য ১.৫ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৩.৪ মিটার। প্রকল্পে মোট ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৫২০ মিলিয়ন ইউয়ান। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এর নির্মাণকাজ শেষ হবে।

১০. বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকে এই প্রথম আড়াই শতাংশ সুদে ঋণ নিতে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশা। এতোদিন সুদের হার ছিল ০.৭৫ শতাংশ। অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ায় এখন থেকে সুদ গুণতে হবে ২.৫ শতাংশ হারে।

সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের আড়াই শতাংশ সুদে নেওয়া প্রথম প্রকল্পের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 'সাস্টেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্ট'শীর্ষক এ-প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংক ২৪ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে। উপকূলীয় ১৬টি জেলায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। প্রকল্পের আওতায় ১০০টি মৎস্য-গ্রাম তৈরি করা হবে।

নতুন ঋণে সুদের হার বাড়ার পাশাপাশি পরিশোধের মেয়াদও কমানো হয়েছে। আগে ৫ বছরের রেয়াতকালসহ ৩৮ বছরে যে ঋণ পরিশোধ করতে পারত বাংলাদেশ, এখন সেই ঋণ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে।

১১. বাংলাদেশে বর্তমানে সক্রিয় ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ৯ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার। গত অগাস্টে এই সংখ্যা ছিল ৯ কোটি ৫ লাখ। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে দেশের মোবাইল বেস ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ৮ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছায়, যা অগাস্টে ছিল ৮ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার।

অন্যদিকে, সেপ্টেম্বরে ফিক্সড লাইন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর বেস ছিল ৫৭ লাখ ৩০ হাজার। তবে অগাস্টে ওয়াইম্যাক্স বেস গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ৮৩ হাজার। সেখান থেকে সেপ্টেম্বরে তিন হাজার হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ওয়াইম্যাক্স বেস গ্রাহকের সংখ্যা ৮০ হাজার।

১২. ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য চুক্তি করেছে ভারত ও বাংলাদেশ। সম্প্রতি ভারতের নয়াদিল্লিতে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের নৌপরিবহন সচিব আবদুস সামাদ ও ভারতের জাহাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব গোপাল কৃষ্ণ। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে 'প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড' এর (পিআইডব্লিউটিটি) এই বৈঠকে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

এ ছাড়া, দুই দেশের মধ্যে নদী-সংযোগ বাড়িয়ে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য অভিন্ন নদীর সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে আসামের গুয়াহাটি ও জোরহাটের মধ্যে নদীপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

চুক্তি অনুসারে, নদীপথের নাব্যতা বাড়াতে ভারত অভিন্ন নদীগুলোর ড্রেজিংয়ের মোট খরচের ৮০ শতাংশ বহন করবে। এদিকে, বাংলাদেশকে নিজেদের পণ্য তৃতীয় দেশে রফতানির জন্য কলকাতা ও হলদিয়া বন্দর ব্যবহারের সুযোগ করে দিতেও রাজি হয়েছে ভারত।

(আলিমুল হক)

© China Radio International.CRI. All Rights Reserved.
16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040