Web bengali.cri.cn   
হংকংয়ে ড্রাগন নৌকা উত্সব
  2017-06-06 15:05:10  cri
সুপ্রিয় বন্ধুরা, আপনারা শুনছেন চীন আন্তর্জাতিক বেতার থেকে প্রচারিত বাংলা অনুষ্ঠান 'সাহিত্য ও সংস্কৃতি'। আর এ অনুষ্ঠানে আপনাদের সঙ্গে আছি আমি আপনাদের বন্ধু ওয়াং ছুই ইয়াং জিনিয়া।

প্রথমে কয়েকটি সাংস্কৃতিক খবর শুনবো।

বাংলাদেশে চীনা দূতাবাস ও 了বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে 'প্রথম চীনা সাংস্কৃতিক মাস ২০১৭--চীনা ছবি প্রদর্শনী ও চীনা চলচ্চিত্র ভ্রমণ' ২৫ মে বাংলাদেশের জাতীয় নাট্যশালায় উদ্বোধন হয়।

বাংলাদেশে চীনা রাষ্ট্রদূত মা মিং ছিয়াং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে বলেন, ভাষা শেখা একটি দেশকে জানার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর অনেক বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রী চীন সরকারের বৃত্তি নিয়ে চীনে লেখাপড়া করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, চীন ও বাংলাদেশের বিনিময় আরো ঘনিষ্ঠ হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আরেফিন সিদ্দিক বলেন, চীন ও বাংলাদেশের বিনিময়ের ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। সাংস্কৃতিক বিনিময় দু'দেশের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশে চীনারা, চীনে বাংলাদেশিরা, তারাও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের রাষ্ট্রদূত।

অনুষ্ঠানে 'রেশম পথ, জীবন ও জীবন প্রতিষ্ঠা' প্রতিপাদ্যে চীনা ছবি প্রদর্শনী ২৫ থেকে ২৮ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের জাতীয় নাট্যশালা ও বাংলাদেশের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আলাদা আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশিরা বৈশিষ্ট্যময় চীনা সংস্কৃতি দেখতে পান।

আয়োজকরা বলেন, এবার 'সোনার বাংলায় চীনা গল্প বলা' প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়, চীনাভাষা স্কুল এবং চীনের কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোতে চীনা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। এক মাসের এ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অনেক বেশি বাংলাদেশি চীন সংক্রান্ত তথ্য জানতে পারেন।

এবার শুনুন 'হংকংয়ে ড্রাগন নৌকা উত্সব' শিরোনামে একটি প্রবন্ধ।

ড্রাগন নৌকা উত্সবকালে হংকংয়ের বিভিন্ন জায়গায় রঙিন ড্রাগন নৌকা বাইচ আয়োজন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ২০তম বার্ষিকী পালিত হয়।

বিনহাই পার্ক হংকংয়ের দক্ষিণাঞ্চলের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের একটি পার্ক। অনন্য দৃশ্যে ভরপুর এই পার্কের নদীতে ৩০ মে হংকংবাসীরা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সঙ্গে এ ড্রাগন নৌকা উত্সবের নৌকা বাইচ উপভোগ করেন।

আগে হংকংয়ের জেলেদের জীবন ছিলো খুবই একঘেয়ে। প্রতি বছরের ড্রাগন নৌকা উত্সবে তারা গণ নৌকা বাইচ আয়োজন করে। তাদের জন্য ড্রাগন নৌকা উত্সব খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি উত্সব। হংকং জাই হলো প্রথম আঞ্চলিক ড্রাগন নৌকা বাইচ আয়োজন করার একটি জায়গা। এখানে এ উত্সবের এক'শও বেশি বছরের ইতিহাস রয়েছে।

জেলেদের মনে ড্রাগন নৌকা তাদের মাস্কট। প্রাচীনকালে ঐতিহ্যবাহী এ ড্রাগন নৌকা বাইচে শুধু পুরুষরা অংশ নিত। কিন্তু বর্তমানে নারীরাও এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। এর ফলে বর্তমানে এ প্রতিযোগিতায় অনেক নতুন নিয়মও তৈরি হয়েছে।

এবার ড্রাগন নৌকা উত্সবকালে হংকংজাইয়ে ড্রাগন নৌকা বাইচ ছাড়া সা থিয়েন, সি কুংসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রাম্যমাণ আনন্দমেলা আয়োজিত হয়। এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ২০তম বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

এবার শুনুন 'ইসরাইলে ড্রাগন নৌকা উত্সব অনুষ্ঠিত' শিরোনামে একটি প্রবন্ধ।

চীনের ঐতিহ্যবাহী ড্রাগন নৌকা উত্সব উদযাপনের জন্য ৩০ মে ইসরাইলের তেল আবিবের ইয়ারকন পার্কে 'ড্রাগন নৌকা দিবস-২০১৭' অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন ইয়ারকন নদীর ড্যানিয়েল রোয়িং সেন্টারে ইসরাইলের চতুর্থ ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ইসরাইলে অনুষ্ঠিত বড় আকারের একটি প্রতিযোগিতা। ইসরাইলে চীনা দূতাবাস, ইসরাইলের রোয়িং অ্যাসোসিয়েশন, চীনা ছাত্র ফেডারেশন ও হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এবারের এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ইসরাইলে চীনা রাষ্ট্রদূত জান ইয়ং সিন এবং তেল আবিবের মেয়র রন হুলদাই অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং ভাষণ দেন।

এদিন সকালে প্রায় ৪০টি দল ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রতিটি দলের সদস্য সংখ্যা ১১ জন। ৫টি প্রতিযোগিতায় নানান উপ-দল অংশ নেয়। যেমন- শিশুদল, নারীদল, পারিবারিকদল, কর্মদল ও পেশাগতদল। এর মধ্যে কর্মদলে ব্রিটেন, কানাডাসহ বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধি, বহুজাতিক কোম্পানির প্রতিনিধি এবং ইসরাইলি শ্রমিকদের ব্যাংকের প্রতিনিধিদলসহ বিভিন্ন প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।

তাছাড়া ইসরাইলি শিশুদের মার্শাল আর্ট ও হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের ছাত্রছাত্রীদের মঙ্গোলিয়ান নৃত্য দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

বন্ধুরা, এখন শুনুন সংস্কৃতি বিষয়ক কয়েকটি সংক্ষিপ্ত খবর।

০১. চীনের সমাজ ও বিজ্ঞান গবেষণা একাডেমির লিখিত 'যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা রিপোর্ট ২০১৭' মে মাসের শেষ দিকে বেইজিংয়ে প্রকাশিত হয়। রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামরিক বিষয়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২০১৬ সালের পর উন্নয়ন অবস্থা নিয়ে সারসংকলন করা হয় এবং চীন-মার্কিন সম্পর্ক গবেষণা করা হয়। বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশ হিসেবে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বরাবরই বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, গত বছর দু'দেশের উচ্চ পর্যায়ের সফর, সংলাপ ও আলোচনায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জিত হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর চীন-মার্কিন সম্পর্ক নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

০২. সম্প্রতি আফগানিস্তানে প্রথম নারীবিষয়ক টেলিভিশন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। 'জান টেলিভিশন' নামক এ টেলিভিশন কেন্দ্রটির অধিকাংশ কর্মকর্তা হলেন নারী। আর এ টেলিভিশন কেন্দ্রের প্রধান অনুষ্ঠানের লক্ষ্য হলো নারী অধিকার রক্ষা।

০৩. ষষ্ঠ চীন-আসিয়ান সঙ্গীত সপ্তাহ ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত চীনের নান নিং শহরে অনুষ্ঠিত হয়। চীনের কুয়াং সি প্রদেশের আর্ট কলেজের উদ্যোগে ষষ্ঠ চীন-আসিয়ান সঙ্গীত সপ্তাহে আসিয়ানের দশটি সদস্য দেশসহ মোট ২১টি দেশ ও অঞ্চলের সঙ্গীত লেখক, তাত্ত্বিক ও শিল্পীদলসহ মোট ২৩০ জন ব্যক্তি অংশ নেন।

এবার এ সঙ্গীত সপ্তাহে ২০ টি কনসার্ট, ৩ টি শীর্ষফোরাম, ১ টি পিয়ানো প্রতিযোগিতা, ১ টি আধুনিক সঙ্গীত ভাষ্য প্রতিযোগিতা, ১ টি চীন-আসিয়ান সঙ্গীতশিল্পী ইউনিয়নের বার্ষিক সম্মেলন এবং ৫টি সঙ্গীতবিষয়ক ক্লাস আয়োজিত হয়। ।

বন্ধুরা, এখন শুনুন আমার সহকর্মী টুটুলের উপস্থাপনায় দক্ষিণ এশিয়ার সাংস্কৃতিক পর্ব।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (জুলাই ২৪, ১৮৯৮-সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯৭১) বিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক ছিলেন। তার সামগ্রিক সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে ৬৫টি উপন্যাস, ৫৩টি গল্পগ্রন্থ, ১২টি নাটক, ৪টি প্রবন্ধের বই, ৪টি আত্মজীবনী এবং ২টি ভ্রমণ কাহিনী। এই বিশিষ্ট সাহিত্যিক রবীন্দ্র পুরস্কার, সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার এবং পদ্মভূষণ পুরস্কারে পুরস্কৃত হন।

জন্ম ও শিক্ষা

১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা-মায়ের নাম হরিদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রভাবতী দেবী। তাদের বাড়িতে নিয়মিত কালী ও তারা মায়ের পুজো হতো। তার বাবা মা দুজনেই ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপরায়ণ ও আদর্শনিষ্ঠ। তারাশঙ্করের জন্মগ্রহণ করার আগে প্রভাবতী দেবী ও হরিদাসের জ্যেষ্ঠপুত্রের মৃত্যু হয়। তাই তাদের পরিবারে তারা মায়ের পুজো শুরু হওয়ার ঠিক দশমাস পরে তারাশঙ্করের জন্ম হয়। তারা মায়ের দয়ায় জাত বলেই তার নাম রাখা হয় তারাশঙ্কর। তারাশঙ্কর ছোটবেলায় মাদুলি, তাবিচ, কবচ এবং বহু সংস্কারের গন্ডিতে বড় হয়ে ওঠেন। আসলে সততা, ধর্মভাব, ভক্তি ও ধর্মশাস্ত্রীয় বিশ্বাস তিনি পেয়েছিলেন মায়ের কাছ থেকে। যদিও পরবর্তী জীবনে এ সব বিশ্বাস নিয়ে অনেক দ্বিধা দ্বন্দ্ব ও জিজ্ঞাসা তার মনকে আলোড়িত করেছে। প্রগতিশীল চিন্তার শরিক হয়েছেন। তারাশঙ্করের বাল্যজীবন কাটে গ্রামের পরিবেশেই গ্রামের স্কুল থেকে।

তারাশঙ্কর লাভপুরের যাদবলাল হাই স্কুল থেকে ১৯১৬ সালে এন্ট্রান্স (প্রবেশিকা) পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে প্রথমে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে এবং পরে সাউথ সুবার্বন কলেজে (এখনকার আশুতোষ কলেজ) ভর্তি হন। তিনি সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ইন্টারমিডিয়েট পড়ার সময় অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন। স্বাস্থ্যভঙ্গ এবং রাজনৈতিক কার্যকলাপের কারণে তাঁর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রম সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি।

ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার কারণে ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে গ্রেপ্তার হলেও পরে মুক্তি পেয়ে যান। এরপর নিজেকে সাহিত্যে নিয়োজিত করেন।১৯৩২ সালে তিনি প্রথমবার শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে দেখা করেন। এই সালেই তাঁর প্রথম উপন্যাস "চৈতালী ঘূর্ণি" প্রকাশ পায়।

তারাশঙ্কর ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে বাগবাজারে একটি বাড়ি ভাড়া করে নিজের পরিবারকে কলকাতায় নিয়ে আসেন ও ১৯৪১-এ তিনি বরাহনগরে চলে যান। তারাশঙ্কর ১৯৪২-এর বীরভূম জেলা সাহিত্য সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন এবং ফ্যাসিবিরোধী লেখক ও শিল্পী সংগঠনের সভাপতি হন। তিনি ১৯৭০ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য-পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

রাজনৈতিক জীবন

তারাশঙ্কর কংগ্রেসের কর্মী হয়ে সমাজসেবামূলক কাজ করেন এবং এর জন্য তিনি কিছুদিন জেল খাটেন। একবার তিনি ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টও হয়েছিলেন। ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে তিনি পশ্চিমবঙ্গের বিধান পরিষদের সদস্য হন।

লেখার বৈশিষ্ট্য

তাঁর লেখায় বিশেষ ভাবে পাওয়া যায় বীরভূম-বর্ধমান অঞ্চলের সাঁওতাল, বাগদি, বোষ্টম, বাউরি, ডোম, গ্রাম্য কবিয়াল সম্প্রদায়ের কথা। ছোট বা বড় যে ধরনের মানুষই হোক না কেন, তারাশঙ্কর তাঁর সব লেখায় মানুষের মহত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন, যা তাঁর লেখার সবচেয়ে বড় গুন। সামাজিক পরিবর্তনের বিভিন্ন চিত্র তাঁর অনেক গল্প ও উপন্যাসের বিষয়। সেখানে আরও আছে গ্রাম জীবনের ভাঙনের কথা, নগর জীবনের বিকাশের কথা।

চলচ্চিত্র

তারাশঙ্করের উপন্যাস, গল্প ও নাটক নিয়ে চল্লিশটিরও বেশি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। সত্যজিৎ রায়ও তারাশঙ্করের জলসাঘর এবং অভিযান উপন্যাসের সফল চিত্ররূপ দিয়েছেন। তাঁর যেসব রচনা চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে সেগুলির মধ্যে আছে:

জলসাঘর ও অভিযান সত্যজিৎ রায়-এর পরিচালিত, অগ্রদানী, আগুন, আরোগ্য নিকেতন, উত্তরায়ণ কবি, ১৯৪৯ এবং সুনীল বন্দ্যোপাধ্যায়, , কান্না, , কালিন্দী, গণদেবতা, চাঁপাডাঙার বউ, জয়া, ডাকহরকরা, দুই পুরুষ, ১৯৪৫ এবং সুশীল মুখোপাধ্যায়, ধাত্রীদেবতা, না, ফরিয়াদ, বিচারক, বিপাশা, মঞ্জরী অপেরা, রাইকমল, , শুকসারী, সন্দীপন পাঠশালা, সপ্তপদী, হার মানা হার, হাঁসুলীবাঁকের উপকথা এবং বেদেনি প্রভৃতি।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের সংক্ষিপ্ত তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হল :

নিশিপদ্ম ১৯৬২

ব্যর্থ নায়িকা

বিচারক, (১৯৫৭)

ফরিয়াদ, ১৯৭১

তামস তপস্যা, ১৯৫২

কালবৈশাখী, ১৯৬৩

কালিন্দী, ১৯৪০

গণদেবতা, ১৯৪২

পঞ্চগ্রাম, ১৯৪৪

আরোগ্য নিকেতন, ১৯৫৩

নাগিনী কন্যার কাহিনী, ১৯৫২

রাধা, ১৯৫৮

যোগভ্রষ্ট,১৯৬০

ডাইনি

একটি প্রেমের গল্প

রাধারানী

সপ্তপদী,১৯৫৭

হাঁসুলি বাঁকের উপকথা, ১৯৫১

চিরন্তনী

কবি, ১৯৪৪

কীর্তিহাটের কড়চা, ১৯৬৭

চৈতালি ঘূর্ণি, ১৯৩১

ধাত্রীদেবতা, ১৯৩৯

না, ১৯৬০

রসকলি, ১৯৩৮

পাষানপুরী, ১৯৩৩

চাঁপাডাঙার বৌ, ১৯৫৪

সন্ধ্যামনি

লেখার কথা

নীলকন্ঠ, ১৯৩৩

রাইকমল, ১৯৩৪

জলসাঘর, ১৯৩৭

যে বই লিখতে চাই

প্রেম ও প্রয়োজন, ১৯৩৫

কালাপাহাড়

বেদেনী

আমার চোখে কপালকুন্ডলা

আগুন, ১৯৩৭

মন্বন্তর, ১৯৪৪

হারানো সুর, ১৯৪৫

ছলানময়ী

স্বর্গমর্ত, ১৯৬৮

সন্দীপন পাঠশালা, ১৯৪৬

ঝড় ও ঝরাপাতা, ১৯৪৬

যাদুকরী

আমি যদি আমার সমালোচক হতাম

অভিযান, ১৯৪৬

পদচিহ্ন, ১৯৫০

যতিভঙ্গ, ১৯৬২

বন্দিনী কমলা

ডাকহরকারা, ১৯৫৮

আমার কালের কথা

পঞ্চপুত্তলী, ১৯৫৬

সংকেত, ১৯৬৪

মণি বৌদি, ১৯৬৭

পৌষলক্ষ্মী

ভূতপুরাণ

গন্নাবেগম

তমসা,১৯৬৩

বসন্তরোগ, ১৯৬৪

মঞ্জরী অপেরা, ১৯৬৪

বিপাশা, ১৯৫৮

উত্তরায়ন, ১৯৫০

মহাশ্বেতা, ১৯৬০

একটি চড়ুই পাখি ও কালো মেয়ে, ১৯৬৩

জঙ্গলগড়, ১৯৬৪

মহানগরী, ১৯৬৬

কালরাত্রি, ১৯৭০

ভুবনপুরের হাট, ১৯৬৪

অরণ্যবহ্নি, ১৯৬৬

হীরাপান্না, ১৯৬৬

অভিনেত্রী, ১৯৭০

গুরুদক্ষিণা, ১৯৬৬

শুকসারী কথা, ১৯৬৭

শতাব্দীর মৃত্যু

শক্করবাঈ, ১৯৬৭

ইতিহাস ও সাহিত্য

নবদিগন্ত, ১৯৭৩

রবীন্দ্রনাথ ও বাংলার পল্লী

দুই পুরুষ (নাটক)

ছায়াপথ, ১৯৬৯

মস্কোতে কয়েকদিন

পথের ডাক

দ্বীপান্তর

বিংশশতাব্দী (নাটক)

কালান্তর

সুতপার তপস্যা, ১৯৭১

একটি কালো মেয়ে, ১৯৭১

বিচিত্র, ১৯৫৩

নাগরিক, ১৯৬০

কান্না, ১৯৬২

বৈষ্ণবের আখড়া

নাটক

দ্বীপান্তর(১৯৪৫)

পথের ডাক(১৯৪৩)

দুই পুরুষ(১৯৪৩)

পুরস্কার

১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের কাছ থেকে "রবীন্দ্র পুরস্কার" লাভ করেন। ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে "সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার" পান। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি চীন সরকারের আমন্ত্রণে চীন ভ্রমণে যান। এর পরের বছর তিনি অ্যাফ্রো-এশিয়ান লেখক সঙ্ঘের কমিটি গঠনের প্রস্ততিমূলক সভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন গমণ করেন। এর পর তিনি তাসখন্দে অনুষ্ঠিত অ্যাফ্রো-এশিয়ান লেখক সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে তারাশঙ্কর ভারত সরকারের পদ্মশ্রী ও ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত হন।

শরৎস্মৃতি পুরস্কার (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)

জগত্তারিণী স্মৃতিপদক (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়)

রবীন্দ্র পুরস্কার (আরোগ্য নিকেতন)

সাহিত্য অকাদেমী পুরস্কার (আরোগ্য নিকেতন)

জ্ঞানপীঠ পুরস্কার (গণদেবতা)

পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ উপাধি। (বাংলা উইকিপিডিয়া)

প্রিয় শ্রোতা, আজকের অনুষ্ঠান আপনাদের কেমন লাগলো? আপনারা যদি 'সাহিত্য ও সংস্কৃতি' বিষয়ক কোনো কিছু জানতে বা আলোচনা করতে চান, তাহলে আমাকে চিঠি লিখবেন বা ই-মেইল করবেন। আপনাদের কাছ থেকে চমত্কার পরামর্শ আশা করছি। আর আপনাদের জানিয়ে রাখি, আমার ইমেইল ঠিকানা হলো, hawaiicoffee@163.com

চিঠিতে প্রথমে লিখবেন, 'সাহিত্য ও সংস্কৃতি' অনুষ্ঠানের 'প্রস্তাব বা মতামত'। আপনাদের চিঠির অপেক্ষায় রইলাম।

বন্ধুরা, আজকের অনুষ্ঠান এখানেই শেষ করছি। শোনার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আগামী সপ্তাহে একই দিন, একই সময় আপনাদের সঙ্গে আবারো কথা হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। চাইচিয়ান। (জিনিয়া/টুটুল)

© China Radio International.CRI. All Rights Reserved.
16A Shijingshan Road, Beijing, China. 100040